৮ তলায় লুকিয়ে শিবপুর বোমাবাজির মাস্টারমাইন্ড, কী ভাবে ধরল মুম্বই ক্রাইম ব্রাঞ্চ?
হাওড়ার শিবপুরে গুলি ও বোমাবাজির ঘটনার তদন্তে বড়সড় সাফল্য পেল পুলিশ। মুম্বই ক্রাইম ব্রাঞ্চের ইউনিট-৬ অভিযান চালিয়ে এই মামলার তিন মূল অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে। গোপন সূত্রের ভিত্তিতে মুম্বইয়ের দেওনার এলাকা থেকে ধরা হয় অভিযুক্তদের। ধৃতদের নাম শামিম আহমেদ (৪০), জামিল আখতার (৪৩) এবং আফতাব আনোয়ার (৪৪)। তিনজনই হাওড়া জেলার বাসিন্দা।
তদন্ত চলাকালীন মুম্বই ক্রাইম ব্রাঞ্চের ইউনিট-৬ এর ইনচার্জ ভরত ঘোণে গোপন সূত্রে খবর পান যে, তিন অভিযুক্ত মুম্বইয়ের দেওনার এলাকার একতা এসআরএ বিল্ডিংয়ের আট তলায় আত্মগোপন করে রয়েছে। এরপরে পুলিশের একটি দল অভিযান চালিয়ে ৮০৭ নম্বর ঘরে হানা দেয় এবং সেখান থেকে তিনজনকে গ্রেফতার করে। পুলিশের দাবি, জিজ্ঞাসাবাদের সময় ধৃতরা ঘটনায় নিজেদের জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। মেডিক্যাল পরীক্ষার পরে অভিযুক্তদের পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার জন্য হাওড়া-র শিবপুর থানার পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হবে।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, হাওড়ার শিবপুর থানায় এফআইআর এর পরে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা, আর্মস অ্যাক্ট এবং এক্সপ্লোসিভ অ্যাক্টের একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছিল অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে। ৭ মে দুপুর আড়াইটে থেকে তিনটার মধ্যে শিবপুর এলাকায় বোমাবাজির ঘটনা ঘটেছিল।
কী ঘটেছিল সে দিন?
অভিযোগ, প্রায় ১০০-১৫০ জন দুষ্কৃতীর দল এলাকায় হামলা চালিয়ে ব্যাপক আতঙ্ক সৃষ্টি করেছিল। ওই দলের নেতৃত্বে ছিল শামিম আহমেদ ওরফে বড়ে। পুলিশ সূত্রে দাবি, বড়ে আদতে ৩৬ নম্বর ওয়ার্ডের এক প্রাক্তন কাউন্সিলরের স্বামী। বড়ের সঙ্গে ছিল আফতাব আনোয়ার, জামিল আখতার-সহ আরও কয়েকজন। অভিযুক্তরা এলাকায় ঢুকে প্রকাশ্যে বোমাবাজি করে ও গুলি চালায় বলে অভিযোগ। ঘটনায় বেশ কয়েকজন আহত হয়েছিলেন।