Trump-Netanyahu: ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর মধ্যে তুমুল ঝগড়া, ইরানকে কোণঠাসা করতে গিয়ে নিজেদের মধ্যে ঝামেলা? | Donald Trump and Benjamin Netanyahu Clash Over Iran Ceasefire During Heated Phone Call - 24 Ghanta Bangla News
Home

Trump-Netanyahu: ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর মধ্যে তুমুল ঝগড়া, ইরানকে কোণঠাসা করতে গিয়ে নিজেদের মধ্যে ঝামেলা? | Donald Trump and Benjamin Netanyahu Clash Over Iran Ceasefire During Heated Phone Call

Spread the love

ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়Image Credit: Tv9 Bangla

ওয়াশিংটন: ইজ়রায়েল ও আমেরিকা (Israel-America)। ইরানের (Iran) শত্রু দেশ। তেহরানের উপর যৌথভাবে হামলা চালিয়েছে দুই দেশ। ইরানের উপর হামলা নিয়ে ইজ়রায়েলের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেছে আমেরিকা। আবার ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি (Iran-America Ceasefire)  নিয়ে ট্রাম্প যে সিদ্ধান্তগুলি নিচ্ছেন, আপাতত তাতেই সায় দিয়েছেন ইজ়রায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। কিন্তু, এবার দুই দেশের নেতার মধ্যেই নাকি তুমুল ঝগড়া। ইরানের পারমাণবিক চুক্তি নিয়ে ফোনে কথা বলার সময় নাকি ট্রাম্প (Donald Trump) ও নেতানিয়াহুর (Benjamin Netanyahu) মধ্যে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয়েছে। ঠিক কী হয়েছে দুই নেতার কথোপকথনে, চলুন জেনে নেওয়া যাক

ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর সঙ্গে কী কথা হয়? 

জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার অর্থাৎ ১৯ মে ডোনাল্ড ট্রাম্প ও নেতানিয়াহু ফোনে কথা বলেন। ফোনে কথা বলার সময় দুই নেতা তীব্র বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। জানা গিয়েছে, ট্রাম্প নেতানিয়াহুকে ফোন করে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ না বাড়ানোর জন্য অনুরোধ করেছেন। কিন্তু, এটা শুনেই নাকি রেগে কাঁই হয়ে যান নেতানিয়াহু। এই বিষয়ে দু’জনের মধ্যে প্রায় আধ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয়েছে।

নেতানিয়াহু নাকি ট্রাম্পকে বলেছেন, ইরানকে বিশ্বাস করা যায় না। ইরান ইচ্ছাকৃতভাবে আরেকটি যুদ্ধের প্রস্তুতি নিতে সময় নষ্ট করছে।

ট্রাম্প আর কী বলছেন?

নেতানিয়াহুর কথা শোনার পর ট্রাম্প বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার জন্য ইজ়রায়েলই একমাত্র অগ্রাধিকার নয়। ট্রাম্প বলেন,”আমরা ফোনে অন্যান্য প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গেও কথা বলেছি। সবাই কথাবার্তার মধ্যে সমাধান চায়। তাই আমরা এই বিষয়কে অগ্রাধিকার দেব।” হোয়াইট হাউস সূত্রে খবর, ট্রাম্প নেতানিয়াহুকে বলেছেন, কাতার ও অন্যান্য মধ্যস্থতাকারীরা এমন একটি চিঠি নিয়ে কাজ করছে, যেখানে আমেরিকা ও ইরান উভয়ই স্বাক্ষর করে আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধের অবসান ঘটাবে। ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনে কথা বলার পর ইজ়রায়েলের প্রধানমন্ত্রী খুবই রেগে যান বলে খবর। অর্থাৎ নেতানিয়াহু যুদ্ধ চাইছেন কিন্তু ট্রাম্প যুদ্ধ চালিয়ে যেতে নারাজ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *