বকরি ইদের আগে ‘গো বলি’ নিয়ে হাইকোর্টে ধুন্ধুমার! ২৪ ঘণ্টার ডেডলাইন, বল শুভেন্দুর কোর্টে
কী বললেন মামলাকারীরা?
আদালতে ১৯৫০ সালের আইনের ধারাগুলির সাংবিধানিক বৈধতা নিয়েই প্রশ্ন তোলেন মামলাকারীদের আইনজীবীরা। তাঁরা জানান, দৃশ্য দূষণ ও স্বাস্থ্যের কারণে বকরি ইদে যদি প্রকাশ্যে গবাদি পশু জবাই বন্ধ করতে হয়, তা হলে একই নিয়ম ছাগল বলির ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হওয়া উচিত।
তাঁদের মতে রাজ্য সরকারের বিজ্ঞপ্তি বাস্তবে কার্যকর করা এক প্রকার অসম্ভব। রাজ্যে কত কসাইখানা আছে, কতজন ভেটেনারি ডাক্তার আছেন— তার কোনও সঠিক হিসেব নেই সরকারের কাছে। কোনও গোরুর বয়স ১৪ বছর নাকি ১৫ বছর, তা কী ভাবে বোঝা যাবে? এই প্রশ্নও তোলেন তাঁরা।
তাঁরা আরও জানান, মূল আইন এবং রাজ্যের জারি করা বিজ্ঞপ্তির মধ্যে ফারাক আছে। আইনে বলা হয়েছে কোন গবাদি পশু জবাই করা যাবে, কলকাতায় তার সার্টিফিকেট দেবে কলকাতা পুরসভা (KMC), অন্যান্য পুর এলাকায় স্থানীয় পুরপ্রধান। কিন্তু রাজ্যের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে সার্টিফিকেট দেবেন পুরসভার প্রেসিডেন্ট বা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি।
মামলাকারীদের আরও দাবি, ১৯৫০ সালের আইনটি বর্তমান সময়ে অচল। বর্তমান সময়ের বাস্তবচিত্রের সঙ্গে আইনটির কোনও মিল নেই।
একইসঙ্গে রাজ্যের জারি করা বিজ্ঞপ্তিকেও চ্যালেঞ্জ করেন তাঁরা। তিনি জানান, রাজ্য বিজ্ঞপ্তি জারি করলেও তা কার্যকর করার মতো পরিকাঠামোই নেই। তাঁরা আরও দাবি করেন, সরকার এই বিজ্ঞপ্তি জারির ফলে রাজ্যের সব গোরুর হাট বন্ধ হয়ে গিয়েছে। কাজেই শুধুমাত্র ধর্মীয় কারণেই এই বিজ্ঞপ্তিকে চ্যালেঞ্জ করা হয়নি। অনেকেই শুধুমাত্র ব্যবসা বন্ধ হয়ে যাওয়াতেও আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন।