Medical Stores Closed: দেশজুড়ে বন্ধ থাকবে সব ওষুধের দোকান, কবে, কখন জেনে নিন | Medicine Shops Across India to Remain Shut Tomorrow as Chemists Call 12 Hour Strike Against Online Pharmacies
ওষুধের দোকান বন্ধImage Credit: Carlos Duarte/Moment/Getty Images
নয়া দিল্লি : বাড়ির খুদে বা বয়ষ্ক সদস্যদের জন্য ওষুধ (Pharmacy Close) কি ফুরিয়ে গিয়েছে? বা আপনার রোজকার ওষুধ কি কোনওভাবে কাল কিনতে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে? তাহলে কিন্তু আর দেরি করবেন না। আজই দোকানে গিয়ে সব প্রয়োজনীয় ওষুধ (Medicine Shop Close) কিনে নিন। আগামিকাল কিন্তু কোথাও ওষুধ পাবেন না। দেশজুড়ে আগামিকাল সব ওষুধের দোকান বন্ধ থাকছে। ১২ ঘণ্টা ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে অল ইন্ডিয়া অর্গানাইজেশন অফ কেমিস্টস অ্যান্ড ড্রাগিস্টস (এআইওসিডি)। কেমিস্টদের এই সংগঠনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেছে রিটেল ডিস্ট্রিবিউশন কেমিস্ট অ্যালায়েন্স।
ভারত জুড়ে ধর্মঘট
অল ইন্ডিয়া কেমিস্টস অ্যাসোসিয়েশনের প্রায় ১২ লক্ষ ৫ হাজার সদস্য এই সংগঠনের অংশ। সেক্ষেত্রে, ধর্মঘট চলাকালীন দেশজুড়ে প্রায় ৭-৮ লক্ষ ফার্মেসি বন্ধ থাকবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তার ফলে বহু রোগী সমস্যায় পড়তে পারেন। তবে, সংগঠনের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, জরুরি চিকিৎসা পরিষেবা চালু থাকবে।
কী কারণে ধর্মঘট?
ধর্মঘটের কারণ হল, অনলাইন ওষুধ প্ল্যাটফর্ম ও ই-ফার্মেসিগুলোর বাড়বাড়ন্ত। যার ফলে সমস্যায় পড়েছে ওষুধের দোকানগুলো। অনলাইনে ওষুধ কেনার জন্য দোকানগুলোর ব্যবসা কমেছে।
কোভিডের সময় থেকে অনলাইন ফার্মেসি শুরু হয়েছে। মহামারীতে অনলাইন ওষুধ বিক্রির অস্থায়ী অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু, মহামারি শেষ হয়ে গেলেও, অনলাইনে ওষুধ বিক্রি এখনও জারি রয়েছে। উল্টে ওষুধ বিক্রির পরিমাণ বেড়েছে। কেমিস্ট সংগঠনগুলো জানিয়েছে, অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলো ব্যাপক ছাড় ও দ্রুত হোম ডেলিভারির সুবিধা দেওয়ায় ছোট ওষুধের দোকানগুলোর পক্ষে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা কঠিন হয়ে যাচ্ছে। তাদের আরও অভিযোগ, যথাযথ তদারকি ছাড়াই অনলাইনে ওষুধ বিক্রি হচ্ছে।
ছোট দোকানগুলোই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত
বাণিজ্যিক বিশ্লেষকরা জানাচ্ছেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ছোট ফার্মেসি চালানোর খরচ ব্যাপকভাবে বেড়েছে। বাড়ি ভাড়া, বিদ্যুৎ বিল, বেতন এবং নিয়মকানুন সংক্রান্ত ব্যয় বেড়েছে। অথচ লাভের পরিমাণ কমই রয়ে গিয়েছে। আবার অনেক ছোট ওষুধের দোকানদার, বিশেষ করে স্থানীয় বাজার ও ছোট শহরের দোকানগুলো টিকে থাকার জন্য সংগ্রাম করছেন। একইসঙ্গে, ঔষধ ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর যুক্তি, দেশজুড়ে স্বাস্থ্যসেবা প্রাপ্তির ক্ষেত্রে পাড়ার ঔষধালয়গুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছে। অর্থাৎ, অনলাইনে ওষুধ বিক্রির প্রতিবাদেই মূলত এই ধর্মঘট।
জরুরি পরিষেবা প্রভাবিত হবে না
ধর্মঘট চলাকালীন রোগীদের জরুরি পরিষেবার সমস্যা হবে না। এই বিষয়ে কেমিস্ট সংগঠন জানিয়েছে, তারা চায় না যে এই প্রতিবাদের কারণে মানুষ কোনও অসুবিধায় পড়ুক। সেক্ষেত্রে ওষুধ পেতে কারও অসুবিধা হলে কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে।