সুপ্রিম-সংশয়ে ৩২ হাজার প্রাথমিক শিক্ষক! 'শিক্ষকরা যোগ্য তো?', কড়া প্রশ্ন শীর্ষ আদালতের - 24 Ghanta Bangla News
Home

সুপ্রিম-সংশয়ে ৩২ হাজার প্রাথমিক শিক্ষক! ‘শিক্ষকরা যোগ্য তো?’, কড়া প্রশ্ন শীর্ষ আদালতের

Spread the love

Published: May 18, 2026 at 4:12 PM ·
Updated: May 18, 2026 at 4:12 PM ·
1 min read

কলকাতা: প্রাথমিকে ৩২ হাজার শিক্ষকের চাকরি বাতিলের বিতর্কিত মামলা এবার পৌঁছল সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court)। সোমবার এই স্পেশাল লিভ পিটিশন বা মামলাটি গ্রহণ করে সব পক্ষকে নোটিশ ইস্যু করল শীর্ষ আদালত। আগামী অগাস্ট মাসের তৃতীয় সপ্তাহে এই হাই-প্রোফাইল মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে। শীর্ষ আদালত মামলাটি গ্রহণ করায়, রাজ্যে ৩২ হাজার প্রাথমিক শিক্ষকের ভবিষ্যৎ নিয়ে ফের নতুন করে তৈরি হল চরম আইনি অনিশ্চয়তা। (Supreme Court hearing 32000 primary teachers WB)

সোমবার সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত এবং বিচারপতি সতীশ চন্দ্র শর্মার ডিভিশন বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হয়। মামলাটি গ্রহণ করে বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত এদিন একটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ পর্যবেক্ষণ করেন। তিনি বলেন, “আমাদের দেখতে হবে শিশুদের ভবিষ্যৎ যাঁদের উপর ন্যস্ত আছে, তাঁরা প্রকৃত অর্থেই যোগ্য কি না!” শীর্ষ আদালতের এই কড়া মন্তব্য মামলাটির ভবিষ্যৎ গতিপ্রকৃতি নিয়ে বড়সড় ইঙ্গিত দিচ্ছে বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

মামলার প্রেক্ষাপট ও আইনি লড়াই: একনজরে

২০১৬ সালের প্রাথমিক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ব্যাপক অনিয়ম এবং ইন্টারভিউতে অ্যাপটিটিউড টেস্ট (Aptitude Test) না নেওয়ার অভিযোগ ওঠে। এই দুর্নীতির অভিযোগের ভিত্তিতে ২০২৩ সালের ১২ মে কলকাতা হাইকোর্টের তৎকালীন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় এক ঐতিহাসিক রায়ে ওই ৩২ হাজার প্রাথমিক শিক্ষকের চাকরি বাতিলের নির্দেশ দিয়েছিলেন।

সিঙ্গল বেঞ্চের সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হন শিক্ষকরা ও পর্ষদ। দীর্ঘ শুনানির পর ২০২৩ সালের ডিসেম্বর মাসে হাইকোর্টের বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী ও বিচারপতি ঋতব্রত কুমার মিত্রের ডিভিশন বেঞ্চ সিঙ্গল বেঞ্চের কড়া নির্দেশ খারিজ করে দেয়।

ডিভিশন বেঞ্চ তাদের পর্যবেক্ষণে স্পষ্ট জানিয়েছিল যে, নিয়োগে দুর্নীতি হলেও একসঙ্গে এত বিপুল সংখ্যক শিক্ষকের চাকরি বাতিল করে দেওয়া যাবে না। ওই শিক্ষকরা গত ন’বছর ধরে স্কুলে কর্মরত। তাই তাঁদের পরিবারের কথা ভেবে এবং মানবিক কারণে চাকরি বহাল রাখার নির্দেশ দিয়েছিল আদালত।

কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের এই রায়কে চ্যালেঞ্জ করেই এবার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন চাকরিপ্রার্থীদের একাংশ। শীর্ষ আদালত সেই মামলা গ্রহণ করে নোটিশ দেওয়ায়, অগাস্ট মাসের শুনানির দিকেই এখন নজর থাকবে গোটা রাজ্যের।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *