কাউন্সিলারদের দাদাগিরিতেই ধরাশায়ী তৃণমূল? কাটাছেঁড়ায় নেতৃত্ব
তৃণমূল কর্মীদের একাংশ তো বটেই, বিরোধী শিবির ও সাধারণ মানুষ এই বিপর্যয়ের জন্য দায়ী করছেন পুরবোর্ড–সহ কিছু কাউন্সিলারকে। সাধারণ মানুষের অভিমত, গত চার বছরে দুর্গাপুর পুরসভায় নাগরিক পরিষেবা তলানিতে পৌঁছেছিল। পাল্লা দিয়ে বেড়েছিল কাউন্সিলারদের একাংশের ঔদ্ধত্য। পরিসংখ্যানে এ–ও দেখা গিয়েছে, পুরসভার চেয়ারপার্সন অনিন্দিতা মুখোপাধ্যায়ের ২২ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূল হেরেছে ২,৭৩৬ ভোটে। ২০২২–এ পুরসভার কার্যকালের মেয়াদ শেষ হয়েছে। তার পরে নির্বাচনের পথে না–হেঁটে পাঁচ জনের প্রশাসকমণ্ডলী পুরবোর্ড পরিচালনা করবে, সেই সিদ্ধান্ত হয়েছিল। পরে একজন চেয়ারপার্সন ও একজন ভাইস চেয়ারপার্সন পুরবোর্ড পরিচালনা করতেন। জনসাধারণের প্রশ্ন, মাত্র দু‘জনকে দিয়ে ৪৩টি ওয়ার্ডে কী ভাবে নিয়মিত পরিষেবা দেওয়া সম্ভব। পুরসভার অন্দরে তা নিয়ে প্রশ্ন করেন বিরোধীরাও। অভিযোগ, তাতে আমল দেননি তৃণমূল নেতৃত্ব। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রশাসকমণ্ডলীর পাঁচ সদস্যকে ‘অপদার্থ’ বলে ভর্ৎসনাও করেছিলেন। অভিযোগ, তার পরেও কেউ নিজেদের শোধরানোর চেষ্টা করেননি।