বন্ধ টোল আদায়, বিকল্প উপায়ে সেতুর দেখভালের প্রস্তাব
চলতি বছরের ১৯ জানুয়ারি পঞ্চায়েতের সাধারণ সভায় দুটি সেতুর রক্ষণাবেক্ষণ ও দেখভালের জন্য ‘ডাক’ –এর সিদ্ধান্ত হয়। ২৭ জানুয়ারি পঞ্চায়েত থেকে ওই দুটি সেতু পারাপারের জন্য টোলের নিয়মাবলি ও রেট তালিকার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। তালিকায় স্কুলের ছাত্রছাত্রী, সাইকেল আরোহীদের ছাড় দেওয়া হয়। সেই সঙ্গে জনপ্রতিনিধি,পঞ্চায়েত, বিডিও অফিসের আধিকারিক থেকে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মিটিং মিছিলে ছাড় দেওয়া হয়েছিল। সাইকেলে মালবহন, মোটরবাইক, ছোটো যান চলাচলে ৫ থেকে ১৫ টাকা টোল আদায় করা হচ্ছিল। এ ছাড়াও ৬ কুইন্টালের বেশি লোড নিয়ে পারাপার করলে দিতে হচ্ছিল ৩০ টাকা। নিয়ম ভাঙলে ৫০০ টাকা জরিমানাও ধার্য ছিল। এক বছরের জন্য গাঁংচা ঘাট ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা ও রাসবিহারী ঘাট ১ লক্ষ ৯০ হাজার টাকা সর্বোচ্চ ডাক ওঠে। টোল আদায় বন্ধ হওয়ায় টাকা ফেরত দেওয়ার দাবি তুলেছেন ডাক পাওয়া ব্যক্তিরা। এঁদেরই একজন অসিত পাড়ুই বলেন, ‘বিজেপির কিছু নেতা আমাদের নিষেধ করায় আমরা আর যাইনি। কিন্তু আমাদের জমা দেওয়া টাকা যেন হিসাব করে বুঝিয়ে দেওয়া হয়। এক বছরের জন্য ডাকে নিয়েছিলাম। মাত্র তিন মাস টোল আদায় হয়েছে।’