ইউপিএ জমানায় দুর্নীতিতে অভিযোগ ১৬ বছর পরে বরখাস্ত! কে এই IAS পদ্মা - 24 Ghanta Bangla News
Home

ইউপিএ জমানায় দুর্নীতিতে অভিযোগ ১৬ বছর পরে বরখাস্ত! কে এই IAS পদ্মা

Spread the love

ইউপিএ জমানায় দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল তাঁর বিরুদ্ধে। তার জেরে সাসপেন্ডও হতে হয়। পরে অবশ্য প্রত্যাহার করে নেওয়া হয় সাসপেনশন। ১৬ বছর পর সেই দুর্নীতির অভিযোগে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হলো আইএএস অফিসার পদ্মা জয়সওয়ালকে।

পদ্মা অ্যাগমুট (অরুণাচল প্রদেশ-গোয়া-মিজ়োরাম এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল) ক্যাডারের ২০০৩ সালের ব্যাচের অফিসার। প্রশাসনিক সূত্রে খবর, রাষ্ট্রপতির কাছ থেকে অনুমোদন পাওয়ার পরেই পদ্মাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। রাষ্ট্রপতির কাছে পদ্মাকে বরখাস্ত করার সুপারিশ করেছে কেন্দ্রের কর্মিবর্গ এবং প্রশিক্ষণ দপ্তর, যা প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরেরই অধীনস্থ। আবার এ সব ক্ষেত্রে কর্মিবর্গ দপ্তর যা সিদ্ধান্ত নেয়, তা অমিত শাহের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের সুপারিশের ভিত্তিতে। যদিও সংবাদমাধ্যমকে পদ্মা বলেছেন, ‘বরখাস্ত হওয়ার কোনও বিজ্ঞপ্তি আমি এখনও পাইনি। আমার নজরে আসেনি।’

প্রায় ২ দশকের পুরোনো একটি মামলায় এই পদক্ষেপ করা হয়েছে পদ্মার বিরুদ্ধে। ২০০৭-০৮ সালে তিনি অরুণাচল প্রদেশের পশ্চিম কামেং জেলার ডেপুটি কমিশনার হিসাবে কর্মরত ছিলেন। সেই সময়েই তাঁর বিরুদ্ধে সরকারি তহবিল আত্মসাতের অভিযোগ দায়ের হয়। তার প্রেক্ষিতে ২০০৮ সালের এপ্রিল মাসে সাসপেন্ড করা হয়েছিল পদ্মাকে। তার পর ২০১০ সালের অক্টোবরে সেই নির্দেশ প্রত্যাহার করে আবার তাঁকে কাজে ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছিল।

দু’দশকেরও বেশি সময়ের কর্মজীবনে অরুণাচল, গোয়া, দিল্লি এবং পুদুচেরিতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক পদে দায়িত্ব পালন করেছেন পদ্মা। তাঁর পড়াশোনা সেন্ট জেভিয়ার্স স্কুলে। এর পর পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয়ের ইউনিভার্সিটি বিজ়নেস স্কুল থেকে এমবিএ পাশ। তিনি গবেষক হিসাবেও কাজ করেছেন। তাঁর গবেষণার বিষয় ছিল— বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন, ম্যানেজমেন্ট, আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী, ফিন্যান্সিয়াল ম্যানেজমেন্ট এবং লিগ্যাল পার্সোনেল ম্যানেজমেন্ট।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *