১ জুন থেকে চালু হবে মুখ্যমন্ত্রীর জনতার দরবার
কলকাতা: আগামী ১ জুন থেকে শুরু হতে চলেছে মুখ্যমন্ত্রীর জনতার দরবার। (Suvendu Adhikari)বাংলায় রাজনৈতিক পালাবদলের পর এবার সরাসরি সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলবেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শুধু তাই …
কলকাতা: আগামী ১ জুন থেকে শুরু হতে চলেছে মুখ্যমন্ত্রীর জনতার দরবার। (Suvendu Adhikari)বাংলায় রাজনৈতিক পালাবদলের পর এবার সরাসরি সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলবেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শুধু তাই নয় অন্যান্য মন্ত্রীদেরকেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে কেউ যদি কোনও অভিযোগ করে তবে সেই চিঠির প্রপ্তি স্বীকার করতে হবে এবং সেই অভিযোগের ভিত্তিতে কতটা সুরাহা হল তাও খতিয়ে দেখতে হবে। বিধায়কদের জন্য নির্দেশ দিয়েছেন মানুষের কাছে পৌঁছতে হবে এবং বিরোধিতার মানসিকতা ছেড়ে গঠনমূলক আলোচনা করতে হবে।
বাংলায় রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর এবার সরকারের দরজা সত্যিকারের অর্থে সাধারণ মানুষের জন্য খুলে দিতে চলেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আগামী ১ জুন থেকে শুরু হতে চলেছে ‘মুখ্যমন্ত্রীর জনতার দরবার’। এই কর্মসূচির মাধ্যমে সরাসরি জনসাধারণের সঙ্গে কথা বলবেন মুখ্যমন্ত্রী নিজে। শুধু তাই নয়, মন্ত্রী, বিধায়ক ও প্রশাসনের সকল স্তরকে মানুষের সমস্যা শোনা ও সমাধানের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
আরও দেখুনঃ ভারতের হাই কমিশন ঘেরাও করা উগ্রবাদী তাহরিমা জান্নাত সুরভি ভিসা নিয়ে ভারতে
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, ‘জনতার দরবার’ প্রতি মাসে নিয়মিত অনুষ্ঠিত হবে। তার জন্য কিছু পদক্ষেপ নিতে হবে তারই প্রস্তুতি চলছে। সেখানে যে কোনো সাধারণ নাগরিক এসে তাঁর সমস্যা, অভিযোগ বা পরামর্শ জানাতে পারবেন। শুধু মুখ্যমন্ত্রী নয়, অন্যান্য মন্ত্রীদেরও স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে কোনো অভিযোগপত্র এলে তার প্রাপ্তি স্বীকার করতে হবে এবং কী কী পদক্ষেপ নেওয়া হল, তা নিয়মিতভাবে জানাতে হবে।
কোনও অভিযোগ অমীমাংসিত অবস্থায় পড়ে থাকবে না। বিধায়কদের উদ্দেশে মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, “বিরোধিতার মানসিকতা ছেড়ে এবার গঠনমূলক কাজ করুন। মানুষের কাছে পৌঁছান, তাঁদের সমস্যা শুনুন এবং সমাধানের চেষ্টা করুন।” এই বার্তা রাজ্যের রাজনৈতিক পরিবেশে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। অনেকে মনে করছেন, এর ফলে প্রশাসন আরও জনমুখী হয়ে উঠবে। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চল ও শহরের প্রান্তিক এলাকার মানুষ যাঁরা এতদিন আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় আটকে থাকতেন, তাঁদের জন্য এটা বড় স্বস্তির খবর।
মহিলা ও যুবকদের মধ্যেও এই উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা চলছে। অনেকে বলছেন, চাকরি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও রাস্তাঘাটের মতো দৈনন্দিন সমস্যাগুলো এবার সরাসরি উঠে আসবে।প্রশাসনিক সূত্র জানিয়েছে, ‘জনতার দরবার’-এর জন্য বিশেষ ব্যবস্থা করা হচ্ছে। অনলাইনেও অভিযোগ জানানোর সুবিধা থাকবে। প্রতিটি অভিযোগকে একটি অনন্য নম্বর দেওয়া হবে এবং তার অগ্রগতি ট্র্যাক করা যাবে। মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তর থেকে নিয়মিত রিভিউ করা হবে যাতে কোনো অভিযোগ অবহেলিত না হয়। এই উদ্যোগের মাধ্যমে সরকার চায় আমলাতন্ত্রের দূরত্ব কমিয়ে মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ গড়ে তুলতে।