বিষ্ণুর কৃপা পেতে এই নিয়মে করুন puja, জানুন কী এড়িয়ে চলবেন
ভগবান বিষ্ণুর আরাধনা এবং পুণ্য লাভের জন্য পুরুষোত্তম মাসকে হিন্দু ধর্মে অত্যন্ত পবিত্র সময় হিসেবে গণ্য করা হয়। এই বিশেষ মাস প্রতি তিন বছর অন্তর আসে বলে এর গুরুত্ব আরও বেশি। ২০২৬ সালেই রয়েছে পুরুষোত্তম মাস। যা শুরু হবে ১৭ মে ২০২৬ এবং শেষ হবে ১৫ জুন ২০২৬। যেহেতু এটি বছরের অতিরিক্ত একটি মাস বা ত্রয়োদশ মাস, তাই একে ‘অধিক মাস’ও বলা হয়।
পুরুষোত্তম মাস বা অধিক মাস হিন্দু পঞ্জিকায় প্রতি ৩২-৩৩ মাস অন্তর যোগ হওয়া একটি অতিরিক্ত মাস। এটি চন্দ্র ও সৌর বছরের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষাকারী মাস, যা ভগবান বিষ্ণুর নামে উৎসর্গকৃত। শাস্ত্রমতে, এটি অত্যন্ত পবিত্র ও কৃষ্ণভক্তির জন্য শ্রেষ্ঠ মাস, এই মাসে ভগবান বিষ্ণুর আরাধনা কার্তিক মাসের চেয়েও বেশি ফলপ্রসূ বলে মনে করা হয়।
কেন এই মাসের নাম পুরুষোত্তম?
এই মাস সব বছরে থাকে না। অতিরিক্ত একটি মাস, তাই এই মাসের কোনও অধিপতি দেবতাও নেই। অধিপতি দেব না থাকায় এই মাসে কোনও শুভ কাজ করাতেও ছিল শাস্ত্রের আপত্তি, তাই একে মলমাস বলা হয়। তখন ভগবান বিষ্ণু এই মাসের কলঙ্ক মোচনের জন্য নিজের নাম ও গুণ দান করেন। তখন থেকে তার নাম হয় পুরুষোত্তম মাস।
কেন গুরুত্বপূর্ণ এই মাস?
স্বয়ং ভগবান বিষ্ণু নিজের নাম ‘পুরুষোত্তম’ এই মাসকে দান করেছিলেন। তাই নারায়ণের ভক্তি, জপ, তপস্যা ও আধ্যাত্মিক সাধনার জন্য এই সময়কে সবচেয়ে শুভ বলে মনে করা হয়।
শাস্ত্রে বলা হয়েছে, পুরুষোত্তম মাসে করা পুজো-পাঠ, দান-পুণ্য, উপোস ও সৎকর্মের ফল বহু গুণ বৃদ্ধি পায়। এমনকি পূর্বজন্মের পাপও এই মাসে ভগবানের কৃপায় নষ্ট হতে পারে বলে বিশ্বাস করা হয়। এই সময়ে করা ধর্মীয় কাজের পুণ্যফল কখনও ক্ষয় হয় না, অর্থাৎ ‘অক্ষয় পুণ্য’ লাভ হয়।