ঝড়ের বেগে উড়ে যাচ্ছে মানুষ, উত্তর প্রদেশে দাপট দেখাচ্ছে ‘থান্ডারস্কোয়াল’
থান্ডারস্কোয়াল কী?
মৌসম ভবন জানাচ্ছে, ‘থান্ডারস্কোয়াল’ গ্রীষ্মের বিকেলে ঘনিয়ে ওঠা কোনও সাধারণ ঝড়বৃষ্টির পরিবেশ নয়। এটি ‘পরিচালন ঝড়’, যা অত্যন্ত দ্রুতগতির এবং তীব্র গতির হতে পারে। এই ধরনের ঝড় সৃষ্টি হয় মাটির সঙ্গে লেগে থাকা বাতাসের স্তর গরম হয়ে খুব দ্রুত উপরে উঠে যাওয়ার সময়ে (কনভেকশন) চারপাশ থেকে ধেয়ে আসা কনকনে ঠান্ডা ও জলীয় বাষ্পে ভরা বাতাসের সঙ্গে মিশে গেলে। মিশ্রণে তৈরি হয় বিশালাকার ঝড়ের মেঘ বা ‘কিউমুলোনিম্বাস’। এই মেঘ থেকেই বজ্রপাত, শিলাবৃষ্টি এবং ঝোড়ো হাওয়ার সৃষ্টি হয়। যখন এই মেঘ ভেঙে পড়ে, তখন তার ভিতরের ঠান্ডা বাতাস প্রবল বেগে মাটির দিকে নেমে আসে এবং চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। সেই শক্তিশালী হাওয়া মাটির উপরের আলগা ধুলো উড়িয়ে নিয়ে এক ভয়ঙ্কর ধুলোর ঝড় তৈরি করে। এই ঝড় ‘আঁধি’ নামে পরিচিত। আবহবিদরা এই ‘থান্ডারস্কোয়াল’–কে আকাশের বিশাল এক ‘হিট ইঞ্জিন’-এর সঙ্গে তুলনা করেছেন।