ভুবির সুইং নিয়ে সতর্ক নাইটরা
এই সময়: ১১ ম্যাচে ১৪ পয়েন্ট পেয়ে লিগ তালিকায় এক নম্বরে বেঙ্গালুরু। এক কথায়, প্লে–অফ প্রায় নিশ্চিত। শেষ পাঁচটা ম্যাচে তিনটেতে জিতেছে তারা। তার মধ্যে আছে মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে শেষ বলে নাটকীয় জয়। ১১ ম্যাচে ২১ উইকেট নিয়ে এখন বেগুনি টুপির মালিক অভিজ্ঞ ভুবনেশ্বর কুমার।
ইতিমধ্যেই বেশ কিছু প্রাক্তনের দাবি, ভুবি যে ভাবে সুইংয়ের জাদু দেখাচ্ছেন, তাঁকে ভারতীয় টিমে ফেরানো যেতেই পারে। আকাশ চোপড়ার কথায়, ‘ভুবি দেখাচ্ছে, এখনও ও কতটা কার্যকরী হতে পারে। নির্বাচকেরা ওর কথা ভাবলে আমি অবাক হব না।’কোনও সন্দেহ নেই, আজ রায়পুরের শহিদ বীর নারায়ণ সিং স্টেডিয়ামে ভুবি ফ্যাক্টর শুরুতে ভোগাতে পারে কেকেআরকে।
রায়পুর কেন্দ্রটি বেঙ্গালুরুর সেকেন্ড হোম। এই মুহূর্তে টিম যথেষ্ট ভালো জায়গায়। আগের ম্যাচে দুরন্ত হাফ সেঞ্চুরি করে টিমকে জিতিয়েছিলেন ক্রুনাল। কিন্তু ওপেনিংয়ে এখনও ধারাবাহিক হতে পারছেন না বিরাট–বেথেল জুটি। গত দুটি ম্যাচে শূন্য করেছেন বিরাট। এই ম্যাচে নিশ্চয়ই ফর্মে ফেরার জন্য মরিয়া থাকবেন। জশ হ্যাজ়েলউড চোট সারিয়ে ফেরার পরে এখনও পিক–এ পৌঁছননি।
অন্য দিকে, কেকেআর এখন চারটি জয় এবং পাঁচটি হার নিয়ে লিগ তালিকায় আট নম্বরে। তবে আশার কথা, প্রথম ছ’টা ম্যাচে একটিও জয় না পেলেও পরপর চারটি ম্যাচে জিতে আশার আলো জাগিয়েছে নাইটরা। ভক্তদের আশা, রায়পুরে বেঙ্গালুরুকে হারিয়ে প্লে–অফের আশা টিকিয়ে রাখবেন রাহানেরা। তাঁদের যুক্তি, রায়পুর ম্যাচের পরে টানা তিনটে হোম ম্যাচ খেলার সুযোগ পাবে নাইটরা। ইতিবাচক দিক বলতে, ফিন অ্যালেন দিল্লির বিরুদ্ধে ওপেন করে ম্যাচ জেতানো সেঞ্চুরি করেছিলেন। তবে চিন্তার দিক হলো, বরুণ চক্রবর্তী খেলতে পারবেন কি না, নিশ্চিত নয়। তাঁকে ক্রাচ নিয়ে হাঁটতে দেখা গিয়েছে। বরুণ না খেলতে পারলে সেটা ধাক্কা হবেই।
এখন পর্যন্ত এ বারের লিগে রায়পুরে একটা মাত্র ম্যাচ হয়েছে। সেই ম্যাচে স্লো উইকেটে ১৬৭ তাড়া করতে গিয়েও চাপে পড়তে হয়েছিল বেঙ্গালুরু ব্যাটারদের। উইকেট একই রকম থাকলে বোলাররা এখানে চাবিকাঠি হতে পারেন। খুব গুরুত্বপূর্ণ হবে পাওয়ার প্লে–র ছ’টি ওভার। বরুণ না খেললেও নারিন ও অনুকূল রায়ের ভূমিকা কেকেআরের জন্য জরুরি হবে।
সব মিলিয়ে এই ম্যাচ বেঙ্গালুরুর জন্য যতটা দামি, তার চেয়ে অনেক বেশি দামি কেকেআরের জন্য। হারলে প্লে–অফের সরণি দূরে চলে যেতে পারে।