Burdwan woman murder case: গর্ভবতী স্ত্রীকে তাড়িয়ে দিয়েছিলেন, ১৭ বছর পর শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে যা করলেন ব্যক্তি | Woman Hacked to Death in Burdwan After Refusing Money Demand from Estranged Husband, Accused Arrested - 24 Ghanta Bangla News
Home

Burdwan woman murder case: গর্ভবতী স্ত্রীকে তাড়িয়ে দিয়েছিলেন, ১৭ বছর পর শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে যা করলেন ব্যক্তি | Woman Hacked to Death in Burdwan After Refusing Money Demand from Estranged Husband, Accused Arrested

Spread the love

মহিলাকে খুনের অভিযোগে ধৃত স্বামীImage Credit: TV9 Bangla

বর্ধমান: ১৭ বছর আগে স্ত্রীকে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দিয়েছিলেন। মহিলা এসে মায়ের বাড়িতে ওঠেন। আর ১৭ বছর পর শ্বশুরবাড়িতে এসে ‘পরিত্যক্তা’ স্ত্রীর কাছে মোটা টাকার দাবি। টাকা দিতে অস্বীকার করায় স্ত্রীকে কুপিয়ে খুন করার অভিযোগকে কেন্দ্র করে চঞ্চল্য ছড়াল বর্ধমানের রথতলা পদ্মপুকুর এলাকায়। মৃতের নাম শিবানী দাস ওরফে শিবানী পাল(৫৩)। মৃতার পরিবারের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সঞ্জয় পাল নামে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে বর্ধমান থানার পুলিশ।

মৃতার পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় ১৮ বছর আগে হাওড়া সালকিয়ার বাসিন্দা সঞ্জয় পালের সঙ্গে বিবাহ হয় শিবানী দাসের। বিবাহের পর থেকেই নানা কারণে শিবানী দাসকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করা হত বলে অভিযোগ। বিবাহের ছয় মাসের মধ্যে গর্ভবতী অবস্থায় শিবানী দাসকে ঘর থেকে বের করে দেওয়া হয়। সেই থেকেই শিবানী দাস রথতলা পদ্মপুকুর এলাকায় তাঁর বাবার বাড়িতে বসবাস শুরু করেন। এবং এখানেই তাঁর একটি কন্যাসন্তান হয়।

সেই ঘটনার প্রায় ১৭ বছর পর গতকাল সাড়ে পাঁচটা নাগাদ হঠাৎই সঞ্জয় পাল শিবানী দাসের কাছে আসেন এবং মোটা টাকা দাবি করেন। সেই টাকা দিতে অস্বীকার করলে সঞ্জয় পাল শিবানী দাসকে একাধিকবার দা-এর কোপ মারেন। মহিলার চিৎকারে পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা ছুটে এলে সঞ্জয় পাল শিবানী দাসের নিকট আত্মীয় রুদ্র দাসকেও কোপ মারার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ। এরপর পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা প্রতিরোধ করতেই সঞ্জয় পালানোর চেষ্টা করেন। গুরুতর জখম অবস্থায় শিবানী দাসকে উদ্ধার করে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজে হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

এরপর ঘটনার বিবরণ জানিয়ে বর্ধমান থানায় লিখিত অভিযোগ করেন শিবানী দাসের দাদা গৌতম দাস। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তদন্তে নেমে অভিযুক্ত সঞ্জয় পালকে গ্রেপ্তার করে বর্ধমান থানার পুলিশ। মঙ্গলবার ধৃতকে বর্ধমান আদালতে পেশ করা হয়।

কী বলছে মৃতার পরিবার?

মৃতার দাদা গৌতম দাস বলেন, “আমার বোনের হাওড়ার সালকিয়ায় সঞ্জয় পালের সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল। বিয়ের পরই শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করত। ৬ মাস পর বোন যখন গর্ভবতী তখন বাকি থেকে তাড়িয়ে দেয়। বোন এসে মায়ের কাছে থাকে। তার মেয়ে হয়। প্রথম ৫ বছর সঞ্জয় আসেনি। তারপর মাঝে মাঝে এসে টাকা চাইত। গতকাল এসে কাটারি দিয়ে এলোপাথাড়ি কোপ মারে। আমার ভাইপো এসে সঞ্জয়কে জাপটে ধরে। তখন ভাইপোকেও কাটারির কোপ মারে। আর একজন এসে সঞ্জয়কে ধরে। আমরা চাইছি ওর ফাঁসি হোক।”

কী বলছে অভিযুক্ত?

ধৃত সঞ্জয় পাল বলেন, “হাওড়ার সালকিয়ায় আমি সিকিউরিটি গার্ডের কাজ করি। বাপেরবাড়িতে থাকা নিয়ে অনেকদিন ধরেই পারিবারিক ঝামেলা চলছিল। ওদের আলোচনায় বসার জন্য বলছিলাম। বসেনি।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *