‘তৎকাল’ বিজেপি রুখতে হেল্পলাইন করছে সরকার
বিপুল আসন পেয়ে রাজ্যে পালাবদল হয়েছে বঙ্গ–বিজেপিতে তাঁরই সভাপতিত্বে। যদিও এর কোনও ক্রেডিটই নিতে নারাজ শমীক। তাঁর কথায়, ‘আরজি কর হাসপাতালের ঘটনার পরে রাত দখলের রাত হোক বা মেসির ঘটনায় সল্টলেক স্টেডিয়ামে জেন জ়ি–দের প্রতিক্রিয়া— এ সব দেখেই আমি বুঝতে পেরেছিলাম, তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে মানুষের গণভোট হয়ে গিয়েছে।’ রাজ্যে পালাবদলের পরে হিংসার যে সমস্ত ঘটনা সামনে আসছে, তা ঠেকাতে তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নির্দেশ এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের ফোন পেয়েছিলেন বলেও জানান শমীক। তাঁর কথায়, ‘আমি তখন স্নান করছিলাম। আমার এক সহকর্মী বলেন, অমিত শাহজির ফোন আসছে। আমি কোনওরকমে বাথরুম থেকে বেরিয়ে ফোনটা রিসিভ করি। আমাকে অমিত শাহ নির্দেশ দেন, কোনও ভাবেই যেন হিংসার ঘটনা না ঘটে। যা ঘটছে, তা অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে।’ এই ঘটনার পিছনে তিনি তৃণমূলের ‘অতৃপ্তদের’ কাঠগড়ায় তুলেছেন। তবে একই সঙ্গে মানুষের যে ক্ষোভও রয়েছে, তাও বলতে ভোলেননি। বিজেপির রাজ্য সভাপতির কথায়, ‘রাতারাতি অটো ইউনিয়ন, টোটো ইউনিয়ন, কলেজ, কারখানা, বাজার দখলের খবর পাচ্ছি। যাঁরা করছেন, তাঁরা তৎকাল বিজেপি। এই সব চলবে না। অনেক জায়গাতেই আমরা নির্দেশ দিয়েছি। সাফ বলে দিচ্ছি, এই সব করলে অ্যারেস্ট হতে হবে। এই দখলদারির রাজনীতির পরিবর্তন করতেই হবে।’