বাংলায় ডবল ইঞ্জিন আসতেই আরও কড়া BSF! কোচবিহারে আটক ৭ বাংলাদেশি - 24 Ghanta Bangla News
Home

বাংলায় ডবল ইঞ্জিন আসতেই আরও কড়া BSF! কোচবিহারে আটক ৭ বাংলাদেশি

Spread the love

কোচবিহার: পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকার গঠনের পর সীমান্ত নিরাপত্তায় কড়া নজরদারির মধ্যেই বিএসএফ (Cooch Behar)একটি বড় সাফল্য পেয়েছে। কুচলিবাড়ি সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করতে গিয়ে ৭ জন বাংলাদেশি নাগরিক …

কোচবিহার: পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকার গঠনের পর সীমান্ত নিরাপত্তায় কড়া নজরদারির মধ্যেই বিএসএফ (Cooch Behar)একটি বড় সাফল্য পেয়েছে। কুচলিবাড়ি সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করতে গিয়ে ৭ জন বাংলাদেশি নাগরিক ও তাদের একজন ভারতীয় সহযোগীকে আটক করেছে সীমান্তরক্ষী বাহিনী। ঘটনাটি ঘটেছে ১১ মে রাতে।আটককৃত বাংলাদেশিরা হলেন আব্দুল রব, আকাশ হোসেন, সুজন হোসেন, সাইফুল ইসলাম, এনামুল শেখ, রসুল শেখ এবং নিরব শিকদার।

তাদের সঙ্গে ছিলেন কোচবিহারের স্থানীয় বাসিন্দা সুশীল শীল নামে একজন ভারতীয়। বিএসএফ জওয়ানরা রাতের অন্ধকারে সন্দেহজনক গতিবিধি দেখে তাদের চ্যালেঞ্জ করে। তল্লাশির সময় দেখা যায়, তারা গোপনে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে ঢোকার চেষ্টা করছিল। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, তারা বিভিন্ন অসামাজিক ও অবৈধ কাজে জড়িত থাকতে পারে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের ভরাডুবির পর বিজেপি সরকার গঠন করায় সীমান্ত এলাকায় উত্তেজনা বেড়েছে।

আরও দেখুনঃ ‘সুজিতকে জামাই আদর পুলিশের!’ অভিযোগ আইনজীবী সুদীপ্তর

বিশেষ করে কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুরসহ উত্তরবঙ্গের সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে অনুপ্রবেশ ও চোরাচালানের ঘটনা নিয়ে উদ্বেগ ছিল। নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার করা হবে এবং কোনো ধরনের অনুপ্রবেশ বরদাস্ত করা হবে না। তারই প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে বিএসএফের তৎপরতায়। বর্তমানে সীমান্তরক্ষী বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে। নাইট পেট্রোলিং, ড্রোন নজরদারি এবং গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান বাড়ানো হয়েছে।

কুচলিবাড়ি এলাকা দীর্ঘদিন ধরে অনুপ্রবেশের অন্যতম রুট হিসেবে পরিচিত। এখানকার নদী, খাল ও ঘন জঙ্গল অনুপ্রবেশকারীদের সুবিধা করে দেয়। আটককৃতদের মধ্যে কয়েকজনের বিরুদ্ধে আগেও অনুরূপ অভিযোগ রয়েছে বলে জানা গেছে। সুশীল শীলের মতো স্থানীয় সহযোগীরা অর্থের বিনিময়ে পথ দেখিয়ে দিত বলে প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে। এ ধরনের নেটওয়ার্ক ভারতের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি।স্থানীয় বাসিন্দারা এই আটককে স্বস্তির নিশ্বাস হিসেবে দেখছেন।

অনেকেই বলছেন, আগের সরকারের আমলে সীমান্তে শিথিলতা ছিল। ফলে চোরাচালান, গরু পাচার, মাদক ও জঙ্গি অনুপ্রবেশ বেড়েছিল। নির্বাচনের আগে থেকেই বাংলাদেশের কিছু উগ্র গোষ্ঠী ভারতের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে হস্তক্ষেপের চেষ্টা করছিল। সেই প্রেক্ষাপটে বিএসএফের এই তৎপরতা গুরুত্বপূর্ণ।বিএসএফের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, “আমরা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় আছি।

কোনো অনুপ্রবেশকারীকেই ছাড় দেওয়া হবে না। স্থানীয় প্রশাসন ও গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ চলছে।” আটককৃতদের বিরুদ্ধে বিদেশি আইন, পাসপোর্ট আইন এবং ভারতীয় দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। তাদের আরও জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।

ভিডিও নিউজ দেখুন

https://www.youtube.com/watch?v=videoseries

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *