বিশ্ববাংলা গেটের লাইট ভাঙচুর, সরব দুই ফুল
প্রসেনজিৎ বলেন, ‘আমরা জানি না কারা ওই ঘটনার পিছনে জড়িত। খবর পেয়েই পুলিশকে ভাঙচুরের বিষয়টি ফোনে জানিয়েছি। পুলিশের কাছে ওই ঘটনায় এফআইআর করা হবে।’তৃণমূলের জেলা চেয়ারম্যান গঙ্গাপ্রসাদ শর্মা বলেন, ‘রাজ্যে পালাবদল হতেই পারে। গণতন্ত্রে সরকার আসবে যাবে। তাই বলে সরকারি সম্পত্তিতে ভাঙচুর চালানোর ঘটনাকে সমর্থন করি না।’ আলিপুরদুয়ার শহরের সৌন্দর্যায়নে দেশ-বিদেশের পর্যটকদের আকর্ষণ করতে তৃণমূল পরিচালিত আলিপুরদুয়ার পুর বোর্ড শহরে তিনটি বিশ্ববাংলার গেট তৈরি করে। শহরের কোচবিহার-ফালাকাটা রোডে কালজানি সেতুর মুখে, ও লাইফ লাইন বক্সা ফিডার রোডের দমকল মোড়ে ও শামুকতলা রোডের শোভাগঞ্জ মোড়ে গেট তিনটি বানানো হয়। পুরসভা জানিয়েছে, তিনটি গেট বানাতে প্রায় এক কোটি টাকা খরচ হয়েছে। বিশ্ববাংলার গেটের লাইট ভাঙার বিষয়ে এলাকার নবনির্বাচিত বিজেপি বিধায়ক পরিতোষ দাস বলেন, ‘কলকাতায় আছি। আমিও ওই ভাঙচুরের ঘটনার কথা শুনেছি। আমি পরিষ্কার করে বলতে চাই যে, আমাদের সরকার ও দল সরকারি সম্পত্তিতে ভাঙচুর ও হামলার ঘটনা একেবারেই বরদাস্ত করে না। আমি ইতিমধ্যেই পুলিশ সুপার ও আইসিকে ফোন করে জানিয়ে দিয়েছি, রাজনৈতিক রং না দেখে ওই ভাঙচুরের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত কড়া ব্যবস্থা নিতে হবে।’