নকল গেরুয়াপন্থীতে ছয়লাপ, খাঁটির খোঁজ দিতে ‘হেল্পলাইন’
রাজ্যের রং পরিবর্তন হওয়ার প্রায় সঙ্গে সঙ্গে ইতিমধ্যেই বিভিন্ন কলেজে একদল যুবক–যুবতীকে কোথাও বিজেপির পতাকা হাতে, তো কোথাও গেরুয়া ধ্বজা নিয়ে ক্যাম্পাসে দাপাতে দেখা যাচ্ছে। তারা ইউনিয়ন রুম দখল করারও চেষ্টা করছে। আরএসএসের ছাত্র সংগঠন এবিভিপি (অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ)–র দাবি, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ওই যুবকরা কেউ তাদের সদস্য নয়, বরং তৃণমূলেরই ‘উচ্ছিষ্ট’। এবিভিপি–র রাজ্য সম্পাদক নীলকণ্ঠ ভট্টাচার্য জানাচ্ছেন, তাঁরা ইতিমধ্যে আঞ্চলিক ও কেন্দ্রীয় ভাবে বেশ কিছু ফোন নম্বর প্রকাশ করে হেল্পলাইন তৈরি করেছেন। যাতে ‘নকল’ এবিভিপি–র খপ্পরে না–পড়তে হয়। তবে ফোন করলেই যে মেম্বারশিপ দেওয়া হবে, এমনটা নয়। নীলকণ্ঠর কথায়, ‘কেউ যোগ দেওয়ার ইচ্ছে প্রকাশ করলেই হবে না। আগে ব্যাকগ্রাউন্ড চেক করা হবে। সে আগে কী করেছে, টাকাপয়সা তুলেছে কি না, হুমকি দিয়েছে কি না, সে সব ভালো ভাবে যাচাই করে করা হবে।’ তবে কবে থেকে প্রাথমিক সদস্যপদ দেওয়া শুরু করা হবে, সেটা এখনও ঠিক হয়নি। এবিভিপি নেতৃত্বের একাংশের ইচ্ছে, ৯ জুলাই, সংগঠনের প্রতিষ্ঠাদিবসে এই কাজ শুরু হতে পারে।