পুতিনের সেনাকে মোকাবিলা করতে ২৫,০০০ ইউজিভি ‘রোবট বাহিনী’ পাঠালো ইউক্রেন
রাশিয়ার বিরুদ্ধে চার বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা যুদ্ধে ইউক্রেন এখন তার ‘সম্মুখভাগের সৈনিক’ হিসেবে রোবটের দিকে ঝুঁকছে (Frontline Army)। চালকবিহীন যুদ্ধকে এক বড় অগ্রগতি হিসেবে ইউক্রেন ২৫,০০০ …
রাশিয়ার বিরুদ্ধে চার বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা যুদ্ধে ইউক্রেন এখন তার ‘সম্মুখভাগের সৈনিক’ হিসেবে রোবটের দিকে ঝুঁকছে (Frontline Army)। চালকবিহীন যুদ্ধকে এক বড় অগ্রগতি হিসেবে ইউক্রেন ২৫,০০০ রোবট (ইউজিভি) মোতায়েনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। এগুলোর গুরুত্ব অনুধাবন করে ইউক্রেন চলতি বছরের প্রথমার্ধে ২৫,০০০ চালকবিহীন স্থলযান (ইউজিভি) উৎপাদনের পথে রয়েছে। এগুলোর কমান্ডাররা ক্রমশ রোবটের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ছেন।
দ্য সান-এর প্রতিবেদন অনুসারে, ইউক্রেনীয় রোবটগুলো হলো অত্যাধুনিক যন্ত্র, যা ভূমি মাইন স্থাপন, আহত সৈন্যদের সরিয়ে নেওয়া, রসদ সরবরাহ এবং শত্রু অবস্থানে আক্রমণ করতে সক্ষম। এই রোবটগুলো দ্রুত যুদ্ধক্ষেত্রের চিত্র পাল্টে দিচ্ছে। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি জানিয়েছেন যে, এপ্রিল মাসে ইউজিভিগুলো রেকর্ড সংখ্যক ১০,২৮১টি রসদ সরবরাহ এবং সৈন্য সরিয়ে নেওয়ার মিশন সম্পন্ন করেছে।
রণক্ষেত্রে রোবট
রিপোর্ট থেকে জানা যায় যে, রুশ সৈন্যদের আক্রমণ প্রতিহত করার জন্য একটি সেতুর উপর ট্যাংক-বিধ্বংসী মাইন পাতার উদ্দেশ্যে একটি ‘আর্ডাল’ গ্রাউন্ড রোবটকে খোলা মাঠের উপর দিয়ে পাঠানো হয়েছিল। যখন চালকেরা কাছাকাছি তিনজন রুশ সৈন্যকে দেখতে পায়, তখন তারা রোবটটির পথ পরিবর্তন করে দেয় এবং মাইনটির বিস্ফোরণ ঘটায়। এই বিস্ফোরণে তিনজন রুশ সৈন্যই নিহত হয়।
ইউক্রেনের অভিজাত কে-২ ব্রিগেডের ইউজিভি ব্যাটালিয়নের কমান্ডার মেজর ওলেক্সান্ডার আফানাসিয়েভ বলেছেন, “আমাদের হাজার হাজার ইউজিভি আছে। আমরা আমাদের সৈন্যদের জীবন বাঁচাতে ইউজিভি ব্যবহার করি। কে-২ ব্রিগেড বিশ্বের প্রথম সামরিক ব্রিগেড যা সম্পূর্ণরূপে চালকবিহীন স্থল যুদ্ধের জন্য নিবেদিত।”