'জেল হতে পারে মমতার!' বিস্ফোরক ঋজু দত্ত - 24 Ghanta Bangla News
Home

‘জেল হতে পারে মমতার!’ বিস্ফোরক ঋজু দত্ত

Spread the love

কলকাতা: বহিস্কৃত তৃণমূল কংগ্রেস মুখপাত্র ঋজু দত্ত (Riju Dutta)মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে সরাসরি আক্রমণ শানিয়েছেন। তিনি দাবি করেছেন, বাইরের সংস্থা আই-প্যাক (I-PAC) পুর তৃণমূল দখল করে …

কলকাতা: বহিস্কৃত তৃণমূল কংগ্রেস মুখপাত্র ঋজু দত্ত (Riju Dutta)মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে সরাসরি আক্রমণ শানিয়েছেন। তিনি দাবি করেছেন, বাইরের সংস্থা আই-প্যাক (I-PAC) পুর তৃণমূল দখল করে নিয়েছে এবং এর জন্য দলের শীর্ষ নেতৃত্বকেই দায়ী করতে হবে। ঋজু দত্তের এই বক্তব্য রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে।ঋজু দত্ত বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে এর দায়িত্ব নিতে হবে।”

তিনি আরও বলেন “কীভাবে একটি বাইরের সংস্থা পুর দলকে ক্যাপচার করে নিল, সেটা তাঁদেরই ব্যাখ্যা করতে হবে।” তিনি আরও অভিযোগ করেন যে, এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ইডি) অভিযানের সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দলীয় তথ্য সুরক্ষিত করতে ছুটে গিয়েছিলেন। এখন মমতার বিরুদ্ধে ইডির মামলা সুপ্রিম কোর্টে রয়েছে। যদি রায় তাঁর বিরুদ্ধে যায়, তাহলে জেলও হতে পারে বলে স্পষ্ট ইঙ্গিত দিয়েছেন ঋজু।

আরও দেখুনঃ বর্ধমান দক্ষিণে রাস্তায় তৃণমূল প্রার্থীর পোস্টারের উপর দিয়েই চলছে গাড়ি-জনস্রোত

তাঁর মতে, এই ঘটনাগুলো তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ অস্থিরতা ও বাইরের প্রভাবের প্রমাণ। ঋজু দত্ত বলেন, “ইডি যখন তৃণমূল নেতাদের বাড়িতে অভিযান চালায়, তখন মমতা দলের ডেটা সেভ করার জন্য ব্যস্ত হয়ে পড়েন। আজ সেই মামলা সুপ্রিম কোর্টে। ফল যদি খারাপ হয়, তাহলে জেল অসম্ভব নয়।” এই বক্তব্যকে কেন্দ্র করে তৃণমূল শিবিরে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

ঋজু দত্ত আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অভিযোগ তুলে ধরেছেন আই-প্যাকের ডিরেক্টর বিনেশ চান্দেলকে নিয়ে। তিনি জানান, দ্বিতীয় দফা ভোটের পরের দিন সকালেই নিম্ন আদালত বিনেশ চান্দেলকে জামিন দিয়ে দেন। এতে স্পষ্ট হয় যে, মামলাটি সাজানো ছিল। ঋজু বলেন, “ভোটের দ্বিতীয় পর্ব শেষ হওয়ার পরের সকালেই আই-প্যাকের ডিরেক্টরকে জামিন দেওয়া হল। এটা পরিষ্কার যে, পুরো কেসটাই সাজানো।

এর পেছনে কী উদ্দেশ্য ছিল, তা খতিয়ে দেখা উচিত।”সাসপেন্ডেড এই নেতা তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ ক্ষমতার লড়াই এবং বাইরের সংস্থার প্রভাব নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে প্রশ্ন তুলে আসছেন। তাঁর মতে, আই-প্যাকের মতো সংস্থা দলের নীতি-নির্ধারণ, প্রচার এবং এমনকি সাংগঠনিক কাজেও নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছে। যা দলের জন্য ক্ষতিকর। তিনি আরও বলেন, “তৃণমূল একসময় মানুষের দল ছিল। আজ সেটা বাইরের লোকেদের হাতের পুতুল হয়ে গেছে।”

তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে এখনও ঋজু দত্তের এই অভিযোগের কোনো আনুষ্ঠানিক জবাব দেওয়া হয়নি। তবে দলের একাধিক নেতা এটিকে ‘ব্যক্তিগত ক্ষোভ’ ও ‘রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র’ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। অন্যদিকে, বিরোধী দল বিজেপি এই ঘটনাকে স্বাগত জানিয়ে বলেছে, এটা তৃণমূলের অন্তর্দ্বন্দ্ব এবং মমতা বন্দোপাধ্যায়ের স্বৈরাচারী রাজনীতির প্রমান।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ঋজু দত্তের এই বক্তব্য আসন্ন রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে তৃণমূলের জন্য অস্বস্তি বাড়াতে পারে। বিশেষ করে যখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ইডির মামলা সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন, তখন দলেরই এক নেতার মুখ থেকে এমন অভিযোগ আসা দলীয় ঐক্যের ওপর চাপ সৃষ্টি করবে।

ভিডিও নিউজ দেখুন

https://www.youtube.com/watch?v=videoseries

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *