শিলিগুড়ির প্রবীণ নেতা মাখনলালকে সম্মান, ব্রিগেড মঞ্চে আবেগঘন মুহূর্ত - 24 Ghanta Bangla News
Home

শিলিগুড়ির প্রবীণ নেতা মাখনলালকে সম্মান, ব্রিগেড মঞ্চে আবেগঘন মুহূর্ত

Spread the love

শ্যামাপ্রসাদের স্বপ্ন আজ বাস্তব রূপ পেল (PMPays Tribute to Makhanlal) বলে দাবি করছে বিজেপি শিবির। রাজনৈতিক মহলের মতে, স্বাধীনতার পর বাংলার ইতিহাসে এটি এক গুরুত্বপূর্ণ মোড়। “বন্দে মাতরম”-এর …

শ্যামাপ্রসাদের স্বপ্ন আজ বাস্তব রূপ পেল (PMPays Tribute to Makhanlal) বলে দাবি করছে বিজেপি শিবির। রাজনৈতিক মহলের মতে, স্বাধীনতার পর বাংলার ইতিহাসে এটি এক গুরুত্বপূর্ণ মোড়। “বন্দে মাতরম”-এর ১৫০ বছর পূর্তির আবহে ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত হল রাজ্যের প্রথম বিজেপি সরকারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান। গোটা আয়োজনকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই কলকাতা ছিল উৎসবের আবহে।

ব্রিগেডের বিশাল মঞ্চে যখন নতুন সরকারের(PMPays Tribute to Makhanlal) শপথ চলছে, তখন এক আবেগঘন মুহূর্তের সাক্ষী থাকল গোটা দেশ। প্রধানমন্ত্রী শপথ অনুষ্ঠানের ফাঁকে শ্রদ্ধা জানান প্রবীণ নেতা মাখনলাল সরকারকে। তিনি শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ সহযোগী এবং ভারতীয় জনসঙ্ঘের প্রথম দিকের অন্যতম কর্মী হিসেবে পরিচিত।

প্রধানমন্ত্রীর এই শ্রদ্ধা নিবেদন মুহূর্তেই আবেগে ভরিয়ে তোলে মঞ্চ। ৯৭ বছর বয়সী মাখনলাল সরকারের চোখেমুখে স্পষ্ট ছিল এক অদ্ভুত আত্মতুষ্টি ও তৃপ্তির ছাপ। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের লড়াই যেন আজ সার্থক হয়েছে—এমনটাই মনে করছেন উপস্থিত অনেকে।

মাখনলাল সরকার ছিলেন শ‌্যমাপ্রসাদ মুখার্জী -এর একজন অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ সহযোগী। শ্যামাপ্রসাদের রাজনৈতিক আন্দোলনের প্রথম সারির কর্মীদের মধ্যে তাঁর নাম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ১৯৫২ সালে যখন শ্যামাপ্রসাদ কাশ্মীরে ভারতের ত্রিবর্ণ রঞ্জিত পতাকা উত্তোলনের দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন, তখন মাখনলাল তাঁর সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন।

সেই সময়ের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এই আন্দোলন ছিল অত্যন্ত স্পর্শকাতর। আন্দোলনের জেরে মাখনলাল সরকারকে গ্রেফতার করে দিল্লি পুলিশ। অভিযোগ ছিল, তিনি দেশাত্মবোধক গান গেয়ে জনশৃঙ্খলা ভঙ্গ করেছেন। তখন দেশের শাসনক্ষমতায় ছিল কংগ্রেস সরকার। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হয় রাজনৈতিক উত্তেজনা।

তাঁকে আদালতে হাজির করা হলে বিচারপতি তাঁর কাছে ক্ষমা চাইতে বলেন। কিন্তু মাখনলাল সরকার দৃঢ় কণ্ঠে জানিয়ে দেন, তিনি কোনও অপরাধ করেননি, তাই ক্ষমা চাওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। তাঁর এই স্পষ্ট অবস্থান বিচারপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করে। এরপর আদালত নির্দেশ দেয়, তাঁকে ফার্স্ট ক্লাসে বাড়ি ফিরিয়ে দিতে হবে এবং ১০০ টাকা ভাতা প্রদান করতে হবে।

এই ঘটনাই পরবর্তী (PMPays Tribute to Makhanlal) সময়ে মাখনলাল সরকারের রাজনৈতিক জীবনের অন্যতম প্রতীকী অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হয়। তাঁর এই আপোষহীন মনোভাব পরবর্তীতে বহু তরুণ কর্মীকে অনুপ্রাণিত করে। ব্রিগেডের আজকের অনুষ্ঠানে সেই ইতিহাসই যেন আবার ফিরে এল। প্রধানমন্ত্রী মোদীর উপস্থিতিতে যখন মাখনলাল সরকারকে শ্রদ্ধা জানানো হয়, তখন মঞ্চে উপস্থিত অনেকের চোখেই ছিল আবেগের জল। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এটি শুধু একটি আনুষ্ঠানিক সম্মান নয়, বরং ভারতীয় জনসঙ্ঘ থেকে শুরু করে বর্তমান বিজেপির দীর্ঘ রাজনৈতিক উত্তরাধিকারের প্রতীকী স্বীকৃতি।

ভিডিও নিউজ দেখুন

https://www.youtube.com/watch?v=videoseries

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *