আমলা হতে চায় আলিমে ফার্স্ট সাদিয়া
এই সময়, বারাসত ও মধ্যমগ্রাম: শুক্রবার রাজ্য মাদ্রাসা বোর্ডের আলিম পরীক্ষার ফল বেরিয়েছে। মেধা তালিকায় সম্ভাব্য প্রথম স্থান অধিকার করেছে মধ্যমগ্রামের হুমাইপুরের নূরুন্নবি সিনিয়র মাদ্রাসার ছাত্রী মির সাদিয়া জাহিন। তার প্রাপ্ত নম্বর ৮৬২। ভবিষ্যতে আইএএস অফিসার হতে চায় সাদিয়া।
মধ্যমগ্রামের হুমাইপুর গ্রামে বাড়ি সাদিয়ার। বাবা মহম্মদ শওকত আলি ওই মাদ্রাসারই আরবির শিক্ষক। মা শাহিনা পারভিন গৃহবধূ। তিন ভাইবোনের মধ্যে সবার বড় সাদিয়া ছোটবেলা থেকেই পড়াশোনায় অত্যন্ত মেধাবী। বরাবর ক্লাসে ফার্স্ট হতো সে। পরীক্ষায় ভালো ফলের আশা করলেও একেবারে প্রথম স্থান পাবে, তা অবশ্য আশা করেনি সাদিয়া।
মাধ্যমিকে রাজ্য মেধাতালিকায় সংখ্যালঘুদের মধ্যে সম্ভাব্য প্রথম হয়েছে বারাসতের প্যারীচরণ সরকার গভর্নমেন্ট হাইস্কুলের ছাত্র এএসএম সায়াদাতুল্লাহ। মেধাতালিকায় তার স্থান সপ্তম, প্রাপ্ত নম্বর ৬৯১। বিজ্ঞান নিয়ে পড়াশোনা করে ভবিষ্যতে সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হতে চায় সায়াদাতুল্লাহ।
বারাসতের শেঠপুকুর এলাকায় বাড়ি তার। বাবা মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ মধ্যমগ্রামের গঙ্গানগরের কালীনাথ মুখার্জি হাইস্কুলের বাংলার শিক্ষক। মা তুহিনা পারভিন গৃহবধূ। তার এই চমকপ্রদ ফলের জন্য সায়াদাতুল্লাহ সমস্ত কৃতিত্ব দিয়েছে বাবা-মা ও স্কুলের শিক্ষকদের। তার কথায়, ‘ম্যাথস, ফিজিক্স পড়তে ভালো লাগে। তাই ভবিষ্যতে বিজ্ঞান নিয়ে পড়াশোনা করে সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হতে চাই।’