‘২২ বছর বয়সেই বাড়ি ছেড়ে…’, মন্ত্রী দিলীপকে নিয়ে কী বললেন মা পুষ্পলতা?
বাংলায় বিজেপির উত্থানে অন্যতম কারিগর তিনিই। তাঁর সভাপতিত্বেই প্রথম বার বঙ্গজয়ের স্বপ্ন দেখেছিল পদ্মশিবির। কিন্তু সে বার স্বপ্ন অধরা থেকেও, অবশেষে তা পূরণ হলো। স্বাধীনতার পর প্রথম বার রাজ্যে সরকার গড়ল বিজেপি। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন সেই সরকারের মন্ত্রীও হলেন দিলীপ ঘোঘ।
ঝাড়গ্রামের গোপীবল্লভপুরের বাসিন্দা দিলীপের এই উত্থানে স্বাভাবিক ভাবেই আপ্লুত মা পুষ্পলতা ঘোষ। তিনি বলেন, ‘আমি খুব আনন্দিত। তবে ওর আরও আগেই এই স্বীকৃতি পাওয়া উচিত ছিল।’ অশীতিপর বৃদ্ধা জানান, ২২ বছর বয়সেই সঙ্ঘের কাজের সূত্রে বাড়ি ছাড়েন দিলীপ। তার পর কখনও-সখনও ফিরতেন। শেষমেশ ২০১৫ সালে আনুষ্ঠানিক ভাবে বিজেপিতে যোগ দিয়েই পাকাপাকি ভাবে রাজ্যে ফেরেন দিলীপ। তার পর এক বছরের মাথায় বিজেপির রাজ্য সভাপতি। ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে খড়্গপুর সদর বিধানসভা কেন্দ্র থেকে লড়ে জেতেনও। হারান কংগ্রেসের প্রবীণ নেতা জ্ঞান সিংহ সোহনপালকে। দিলীপ রাজনৈতিক জীবনে যেমন সাফল্য পেয়েছেন, তেমন ব্যর্থতাও এসেছে। বিজেপির অন্দরেই ‘কোণঠাসা’ হয়েছেন। আবার ফিনিক্স পাখির মতো জ্বলে উঠেছেন। শেষমেশ ২০২৬ সালের বিধানসভা ভোটে সেই খড়্গপুর সদরই আবার দিলীপকে রাজ্যরাজনীতিতে প্রাসঙ্গিক করে তুলল।