বাংলার মানবাধিকার সংস্থার সঙ্গে জঙ্গি যোগে নিরাপত্তায় অশনি সংকেত রাজ্যে
কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক পালা বদলের আবহেই নতুন করে নিরাপত্তা উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। (Security Alert)আন্তর্জাতিক মানবাধিকার কাউন্সিল (IHRC) নামে একটি রাজ্যভিত্তিক সংস্থার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে ভারত-বিরোধী কার্যকলাপে জড়িত থাকার …
কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক পালা বদলের আবহেই নতুন করে নিরাপত্তা উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। (Security Alert)আন্তর্জাতিক মানবাধিকার কাউন্সিল (IHRC) নামে একটি রাজ্যভিত্তিক সংস্থার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে ভারত-বিরোধী কার্যকলাপে জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে। সূত্রের খবর, এই সংস্থাটি গত কয়েক বছর ধরে ড্যানিয়েল স্টিফেন কোর্নি নামে এক ব্যক্তিকে তার যানবাহন ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে, যিনি একজন আন্ডারকভার এজেন্ট বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।
Suspicious Activities of a West Bengal-Based Organization!
International Human Rights Council (IHRC), a West Bengal based organization has been actively involved in anti-India activities for years. For a couple of years, IHRC has allowed Daniel Stephen Couney, an under-cover US… pic.twitter.com/lLVItXz6De
— Salah Uddin Shoaib Choudhury (@salah_shoaib) May 8, 2026
২০২৫ সালের শেষের দিকে নেপালে গ্রেফতার হন ড্যানিয়েল স্টিফেন কোর্নি। মণিপুরের কুকি মিলিট্যান্টদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়। এই ঘটনার পর থেকেই IHRC-র ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অনেকে মনে করছেন, মানবাধিকারের নামে এই সংস্থা বিভিন্ন সন্দেহজনক ব্যক্তি ও নেটওয়ার্ককে আড়াল দিয়ে চলেছে।পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির বিপুল জয়ের পর পরিস্থিতি আরও সংবেদনশীল হয়ে উঠেছে।
আরও দেখুনঃ গেরুয়া সরকারের শপথের দিনেই ‘গণতন্ত্র বাঁচাও’ পোস্ট অভিষেকের
নিরাপত্তা সংস্থাগুলির মতে, পাকিস্তানি আইএসআই এবং তার প্রক্সি সংগঠন লস্কর-ই-তৈয়বা (LeT) রাজ্যে জঙ্গি হামলার ছক কষছে। এই পরিস্থিতিতে IHRC-র মতো সংস্থার কার্যকলাপ নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।IHRC দীর্ঘদিন ধরে পশ্চিমবঙ্গে সক্রিয়। মানবাধিকার রক্ষার নামে তারা বিভিন্ন কর্মসূচি চালায়। কিন্তু সমালোচকরা বলছেন, এর আড়ালে বিদেশি এজেন্ডা চালানো হচ্ছে।
ড্যানিয়েল কোর্নির সঙ্গে সংস্থার যোগাযোগ নিয়ে বিস্তারিত তথ্য সামনে আসছে। তিনি নাকি মণিপুরের অস্থিরতার মধ্যে সক্রিয় ছিলেন এবং বিভিন্ন সরঞ্জাম সরবরাহের অভিযোগও রয়েছে। নেপালে গ্রেফতারের পর তাঁর ভারতীয় সংযোগ নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে।রাজ্যের এক নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা বলেন, “বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর সীমান্ত নিরাপত্তা ও অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা নিয়ে নতুন করে ভাবতে হচ্ছে।
যেসব সংস্থা বিদেশি শক্তির সঙ্গে যুক্ত থেকে অস্থিরতা ছড়াতে পারে, তাদের ওপর নজরদারি বাড়ানো জরুরি।” বিজেপি নেতারা এই ইস্যুতে সরব হয়েছেন। তাঁরা বলছেন, পূর্ববর্তী প্রশাসনের সময় এ ধরনের সংস্থাগুলিকে প্রশ্রয় দেওয়া হয়েছে। নতুন সরকারের আমলে এসবের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলি এনআইএ, আইবি ইতিমধ্যে রাজ্যের বিভিন্ন সন্দেহজনক সংগঠনের তালিকা তৈরি করছে বলে খবর।