চন্দ্রকে আর কখনও ফাঁকা পাব না, তখন কি সেটা জানতাম!
মণিপুষ্পক সেনগুপ্ত
চন্দ্রর হোয়াটসঅ্যাপ থেকে আর কোনও টেক্সট আসবে না। ফোন করলে অন্য প্রান্ত থেকে ভেসে আসবে না সেই চেনা গলা —’হ্যাঁ দাদা, বলো।’
চন্দ্রর উপরে কার এত রাগ থাকতে পারে! কীসের এত রাগ! এ ভাবে খুন করতে হলো ছেলেটাকে! খুনের কারণ এবং আততায়ীদের নিশ্চয়ই পুলিশ খুঁজে বের করবে। কিন্তু আমার মতো আরও অনেক সাংবাদিকের বহু গল্প বাকি ছিল চন্দ্রর সঙ্গে। সে সব আর হবে না। ঠোঁটের ডগায় অকৃত্রিম হাসিটা ছুঁয়ে বিধানসভার লবিতে দাঁড়িয়ে চন্দ্র আর ফিসফিস করে বলবে না — ‘একটা সিগারেট দাও তো।’