খুনিরা ভিন রাজ্যের? না বিদেশি! প্রশ্ন চন্দ্রনাথ রথ খুনে
ঘটনার তদন্তে বারাসত পুলিশ জেলা, সিআইডি, এসটিএফ এবং আইবি-র অফিসারদের নিয়ে একটি স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন টিম (সিট) গঠন করা হয়েছে বলে সূত্রের খবর।
নিহতের পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, দিন কয়েক আগেই চন্দ্রনাথ ফোনে প্রাণনাশের হুমকি পেয়েছিলেন। বিষয়টি পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পুলিশের কাছেও জানানো হয়েছিল বলে পরিবারের দাবি। তবে কে বা কারা সেই হুমকি দিয়েছিল, ঠিক কত দিন আগে হুমকি–ফোনকল এসেছিল, সে ব্যাপারে সবিস্তার তথ্য মেলেনি। খুনের ঘটনায় আপাতত তিন জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে মধ্যমগ্রাম থানার পুলিশ। ঘটনাস্থল থেকেই বুধবার রাতে রুপোলি রংয়ের একটি গাড়ি উদ্ধার করা হয়। যে গাড়ি চন্দ্রনাথ রথের গাড়ির রাস্তা আটকেছিল। ঘটনাস্থলের আশপাশের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখে বৃহস্পতিবার পুলিশ উদ্ধার করে দুষ্কৃতীদের একটি মোটরবাইক, যেটি আততায়ীদের একাংশ ব্যবহার করেছিল। গাড়ি এবং মোটরবাইক পেলেও সেগুলো থেকে তদন্তকারীরা এখনও পর্যন্ত তেমন দিশা পাননি বলে পুলিশ সূত্রের খবর। শিলিগুড়িতে থাকা গাড়ির মালিক জানিয়েছেন, তাঁর গাড়ি ছিল গ্যারাজের ভিতরে। মোটরবাইকের নম্বরের সঙ্গে নথিভুক্ত ঠিকানার সূত্র ধরে পশ্চিম বর্ধমানের বার্নপুরে পৌঁছে তদন্তকারীরা জানতে পারেন, বাইকের মালিকের যে নাম, সেই ঠিকানায় ওই নামের কেউ থাকেনই না। অর্থাৎ, পুরোটাই ভুয়ো।