‘আমিও তো মা, চাইব না ওদের ফাঁসি হোক’, বলেছেন চন্দ্রনাথের মা হাসিরানি
বৃহস্পতিবার সন্ধে ছ’টা নাগাদ কলকাতা থেকে গ্রামে পৌঁছয় চন্দ্রনাথের দেহ। রাস্তায় কোলাঘাট থেকে গ্রামের মোড় পর্যন্ত একাধিক বার শববাহী গাড়ি দাঁড় করিয়ে ফুল–মালায় শ্রদ্ধা জানান বিজেপিকর্মীরা। বাড়ির সামনের মাঠে মঞ্চ তৈরি হয়েছিল। চণ্ডীপুর বাজার থেকে বাড়ি পর্যন্ত রাস্তার দু’পাশে মোতায়েন ছিল পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী। প্রাক্তন সেনাকর্মীরা জাতীয় পতাকা দিয়ে শ্রদ্ধা জানান চন্দ্রনাথকে। পরে ফুল-মালা দিয়ে শেষ শ্রদ্ধা জানান বিজেপির জয়ী প্রার্থী, সাংসদ ও জেলা নেতৃত্ব। শুভেন্দু ছিলেন না। কান্নায় ভেঙে পড়তে দেখা যায় শুভেন্দুর দুই ভাই সৌমেন্দু ও দিব্যেন্দু অধিকারীকে। হাজার হাজার মানুষের ভিড় তখন গ্রামে। প্রতিবেশী গণেশচন্দ্র মণ্ডল ও স্বরূপ মাইতির কথায়, ‘আমরা অভিভাবক হারালাম। কলকাতায় ডাক্তার দেখানো হোক বা আর্থিক সাহায্য, চন্দ্রদা সবসময় হাত বাড়িয়ে দিতেন। রাতবিরেতে ফোন করলেও কখনও বিরক্ত হননি।’
ধীরে ধীরে বাড়ির সামনে পৌঁছয় শববাহী গাড়ি। সন্তানকে শেষ বারের মতো দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন মা।