আগামীকাল শপথের পরেই কালীঘাটে যাবে ইলিশ-চিংড়ি
কলকাতা: বাংলার নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে আগামীকাল শপথ নেবেন শুভেন্দু অধিকারী। ( Mamata)তারপরেই কালীঘাটে মমতার বাসভবনে পাঠানো হবে মাছ। তাতে থাকবে ইলিশ, চিংড়ি। এমনটাই বললেন নব নির্বাচিত বিজেপি বিধায়ক …
কলকাতা: বাংলার নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে আগামীকাল শপথ নেবেন শুভেন্দু অধিকারী। ( Mamata)তারপরেই কালীঘাটে মমতার বাসভবনে পাঠানো হবে মাছ। তাতে থাকবে ইলিশ, চিংড়ি। এমনটাই বললেন নব নির্বাচিত বিজেপি বিধায়ক সারদ্বত মুখোপাধ্যায়। নির্বাচনী প্রচার চলাকালীন মমতা বন্দোপাধ্যায় সারা বাংলায় প্রচারে বলেছিলেন বিজেপি ক্ষমতায় এলে বাংলায় মাছ মাংস খাওয়া বন্ধ হয়ে যাবে। সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন পেয়ে বাংলায় ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। আজ শুভেন্দু অধিকারী রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার পরেই এই মাছ পাঠানোর ঘোষণা করেন সারদ্বত।
🚨 BIG! BJP MLA Sharadwat Mukherjee says fish will be sent tomorrow to Kalighat and Harish Chatterjee Street.
He mentioned multiple varieties including Hilsa, prawns and pabda fish💥
BENGAL welcomes BJP! pic.twitter.com/KQ013d8Tfr
— The Analyzer (News Updates🗞️) (@Indian_Analyzer) May 8, 2026
নির্বাচনী প্রচারের সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সারা বাংলায় বারবার বলেছিলেন, “বিজেপি ক্ষমতায় এলে বাংলায় মাছ-মাংস খাওয়া বন্ধ হয়ে যাবে।” সেই বক্তব্যেরই পালটা জবাব দিলেন সারদ্বত। তিনি বলেন, “মমতা বন্দোপাধ্যায় যা বলেছিলেন, তার উল্টোটাই দেখুন। আমরা ক্ষমতায় আসার পরও বাঙালির ঐতিহ্যবাহী খাবারদাবার বন্ধ হবে না, বরং আরও উৎসবমুখর হয়ে উঠবে। শপথের পরদিনই কালীঘাটে সুস্বাদু ইলিশ-চিংড়ি পাঠিয়ে আমরা সেটা প্রমাণ করব।”
আরও দেখুনঃ ‘বাংলায় আমরাই বিরোধী!’ শুভেন্দু মুখ্যমন্ত্রী হতেই বিস্ফোরক হুমায়ুন
বিজেপির বিপুল জয়ের পর রাজ্যজুড়ে উৎসবের আমেজ। অনেকেই এই মাছ পাঠানোর ঘোষণাকে রাজনৈতিকভাবে চতুর ও হালকা মেজাজের বলে মনে করছেন। সারদ্বত মুখোপাধ্যায় আরও জানিয়েছেন, মাছের মধ্যে থাকবে শুধু ইলিশ ও চিংড়ি নয়, পাবদা, রুই, কাতলা সহ বাংলার ঘরে ঘরে প্রিয় বিভিন্ন প্রজাতির মাছ। এই উদ্যোগের মাধ্যমে তিনি বার্তা দিতে চান যে, বিজেপি সরকার বাঙালির সংস্কৃতি ও খাদ্যাভ্যাসের বিরোধী নয়, বরং তাকে সম্মান করে।
অনেক ব্যবসায়ী ও মৎস্যজীবী বলছেন, আগে ভয়ে মাছের ব্যবসা নিয়ে দুশ্চিন্তায় থাকতেন। এখন নতুন সরকার আসায় আশা করছেন, ব্যবসা আরও সহজ ও লাভজনক হবে।রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই ধরনের ছোট ছোট ইঙ্গিতবাহী পদক্ষেপের মাধ্যমে নতুন সরকার জনগণের কাছে পৌঁছাতে চাইছে যে, পরিবর্তন এসেছে, কিন্তু বাঙালিয়ানা অটুট থাকবে। শুভেন্দু অধিকারী মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর প্রথম দিন থেকেই উন্নয়ন ও সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার উন্নতির দিকে নজর দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।