অবৈধ অনুপ্রবেশকারী ফেরত নিতে বলে বাংলাদেশকে প্যাঁচে ফেলল মোদী সরকার - 24 Ghanta Bangla News
Home

অবৈধ অনুপ্রবেশকারী ফেরত নিতে বলে বাংলাদেশকে প্যাঁচে ফেলল মোদী সরকার

Spread the love

নয়াদিল্লি, ৭ মে: ভারত সরকার বাংলাদেশের কাছে অবৈধভাবে প্রবেশকারী (illegal infiltration)বাংলাদেশি নাগরিকদের ফেরত পাঠানোয় (রিপ্যাট্রিয়েশন) পূর্ণ সহযোগিতা চেয়েছে। একইসঙ্গে জাতীয়তা যাচাই প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করার জন্য জোরালো আহ্বান …

নয়াদিল্লি, ৭ মে: ভারত সরকার বাংলাদেশের কাছে অবৈধভাবে প্রবেশকারী (illegal infiltration)বাংলাদেশি নাগরিকদের ফেরত পাঠানোয় (রিপ্যাট্রিয়েশন) পূর্ণ সহযোগিতা চেয়েছে। একইসঙ্গে জাতীয়তা যাচাই প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করার জন্য জোরালো আহ্বান জানিয়েছে। বিদেশ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে বাংলাদেশের কাছে ভারতের পাঠানো ২,৮৬০টিরও বেশি জাতীয়তা যাচাইয়ের মামলা পেন্ডিং রয়েছে।

এই ইস্যু দু’দেশের মধ্যে কূটনৈতিক আলোচনায় নতুন করে গুরুত্ব পেয়েছে।ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং বিদেশ মন্ত্রণালয়ের যৌথ বৈঠকে এই বিষয়টি উঠে আসে। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে, বিশেষ করে আসাম, পশ্চিমবঙ্গ, ত্রিপুরা ও মেঘালয়ে অবৈধ অনুপ্রবেশের সমস্যা রয়েছে। এতে স্থানীয় জনসংখ্যার ভারসাম্য, কর্মসংস্থান, নিরাপত্তা ও সম্পদের উপর চাপ পড়ছে।

আরও দেখুনঃ মমতা সরকার ভেঙে দিয়ে ক্ষমতা নিজের হাতে নিলেন রাজ্যপাল

সরকারের মতে, যারা বৈধ কাগজপত্র ছাড়া ভারতে রয়েছেন, তাদের চিহ্নিত করে দ্রুত ফেরত পাঠানো জরুরি। ভারতের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বাংলাদেশ যদি সহযোগিতা করে তাহলে দু’দেশের সম্পর্ক আরও মজবুত হবে এবং সীমান্ত ব্যবস্থাপনা সহজ হবে।বাংলাদেশ সরকার এখনও এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া দেয়নি। তবে ঢাকার কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, তারা বিষয়টি পর্যালোচনা করছে।

বাংলাদেশের কিছু রাজনৈতিক দল ও মানবাধিকার সংগঠন এমন রিপ্যাট্রিয়েশনকে ‘বিতর্কিত’ বলে উল্লেখ করেছে। তারা দাবি করছে, অনেক ক্ষেত্রে ভারতে বসবাসকারী বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মানুষদের জোর করে ফেরত পাঠানো হতে পারে।ভারতের আসাম সরকার বিশেষ করে এই ইস্যুতে সক্রিয়। মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা বারবার বলেছেন, অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করে ফেরত পাঠানো না গেলে রাজ্যের সাংস্কৃতিক ও জনসংখ্যাগত ভারসাম্য নষ্ট হয়ে যাবে।

জাতীয় নাগরিকপঞ্জি (এনআরসি) ও সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের (সিএএ) প্রেক্ষিতে এই আলোচনা আরও জোরদার হয়েছে।সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) সূত্রে জানা গেছে, প্রতি বছরই বাংলাদেশ সীমান্ত দিয়ে অবৈধ অনুপ্রবেশের চেষ্টা ধরা পড়ে। কেউ কেউ কাজের সন্ধানে, কেউ রাজনৈতিক আশ্রয়ে আসেন। তবে যাচাই প্রক্রিয়া ধীরগতির কারণে অনেকে দীর্ঘদিন ধরে ভারতে থেকে যান। এতে মানবপাচার, জালিয়াতি ও নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়ছে।

কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এই ইস্যু দু’দেশের মধ্যে স্পর্শকাতর। ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক সাম্প্রতিক বছরগুলোয় বাণিজ্য, জলবিদ্যুৎ, সীমান্ত শান্তি ইত্যাদি ক্ষেত্রে উন্নতি হয়েছে। কিন্তু অবৈধ অনুপ্রবেশের সমস্যা সমাধান না হলে সম্পর্কে চাপ পড়তে পারে। ভারত চায় দ্রুত একটি যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠন করে এই মামলাগুলো নিষ্পত্তি করতে।

ভিডিও নিউজ দেখুন

https://www.youtube.com/watch?v=videoseries

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *