Ranbir Kapoor: পাশে আলিয়া, আচমকা রেগে আগুন রণবীর! কী ঘটল? - 24 Ghanta Bangla News
Home

Ranbir Kapoor: পাশে আলিয়া, আচমকা রেগে আগুন রণবীর! কী ঘটল?

Spread the love

Ranbir Kapoor: পাশে আলিয়া, আচমকা রেগে আগুন রণবীর! কী ঘটল?

রণবীর কাপুর আর রাগ? দুটো শব্দ যেন ঠিক সমার্থক নয়! বলিপাড়ায় তিনি বরাবরই শান্ত এবং মিষ্টভাষী বলেই পরিচিত। সচরাচর তাঁকে মেজাজ হারাতে দেখা যায় না। কিন্তু মঙ্গলবার রাতের একটি ভাইরাল ভিডিয়ো দেখে অনেকেরই চোখ কপালে! ভিডিয়োতে দেখা যাচ্ছে, রীতিমতো আঙুল উঁচিয়ে বেশ কড়া এবং গম্ভীর সুরেই কারও সঙ্গে কথা বলছেন রণবীর। ব্যস, মুহূর্তেই জল্পনা শুরু— তবে কি মেজাজ হারালেন বলিউডের ‘রকস্টার’?

আসল গল্পটা কিন্তু একটু অন্য রকম। মঙ্গলবার রাতে মা নীতু কাপুর অভিনীত ছবি ‘মেরি দাদি কি শাদি’-র বিশেষ প্রদর্শনীতে স্ত্রী আলিয়া ভাটকে নিয়ে হাজির হয়েছিলেন রণবীর। কালো পোশাকে আলিয়া ছিলেন বরাবরের মতোই মোহময়ী, আর রণবীরের পরনে ছিল একেবারে ‘ক্যাজ়ুয়াল’ পোশাক। কিন্তু গাড়ি থেকে নামতেই বাধে বিপত্তি। তারকা দম্পতির এক ঝলক ক্যামেরাবন্দি করতে কার্যত ঝাঁপিয়ে পড়েন পাপারাৎজি। ঠেলাঠেলিতে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয় যে, তাঁদের ঠিকমতো দাঁড়ানোই মুশকিল হয়ে পড়ে।

ভিড়ের এই হুড়োহুড়ি আর বিশৃঙ্খলা সামাল দিতেই আসরে নামেন রণবীর। এক হাতে স্ত্রীর হাত শক্ত করে ধরে, অন্য হাতে পাপারাৎজিদের উদ্দেশে নির্দেশ দিতে থাকেন তিনি। ভিডিয়োতে তাঁকে যে আঙুল উঁচিয়ে কথা বলতে দেখা গিয়েছিল, তা আসলে কোনও ধমক বা রাগ ছিল না, বরং ছিল পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা। ছবিশিকারিদের উদ্দেশে তিনি স্পষ্ট বলেন, “আপনারা কি ভাল ছবি তুলতে চান? তা হলে একটু সরে দাঁড়ান। আমরা ভিতরে গিয়ে দাঁড়াচ্ছি। সেখানে আপনারা সবাই ঠিকঠাক ফ্রেম পাবেন আর ভাল ছবিও তুলতে পারবেন।”

 

View this post on Instagram

 

A post shared by Filmy Famee (@filmyfamee)

রণবীরের এই যুক্তিবাদী কথায় কাজ হয় ম্যাজিকের মতো। ভালো ছবির উপরই যেহেতু ছবিশিকারিদের উপার্জন অনেকাংশে নির্ভর করে, তাই রণবীরের কথায় তাঁরা আশ্বস্ত হন। শুরুতে নায়কের গম্ভীর মুখ দেখে সামান্য ঘাবড়ে গেলেও, পরে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে সংযত হন সবাই। মায়ের ছবি দেখার জন্য এমনিতেই বেশ উত্তেজিত ছিলেন রণবীর। সমস্ত বিশৃঙ্খলা মিটে যাওয়ার পর, স্ত্রী আলিয়ার সঙ্গে হাসিমুখেই ক্যামেরার সামনে পোজ দেন তিনি।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *