মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর শপথ! ভুয়ো আমন্ত্রণ পত্রে সরব বঙ্গ বিজেপি
কলকাতা: তৃণমূলকে কার্যত ধুলোয় মিশিয়ে দিয়ে বাংলার ক্ষমতা হাতে নিয়েছে গেরুয়া শিবির। (Suvendu Adhikari)এবার প্রশ্ন মুখ্যমন্ত্রী কে হচ্ছেন বাংলার, তা নিয়েও চলছে জল্পনা। বৈঠকের জন্য রাজনাথ সিং এবং …
কলকাতা: তৃণমূলকে কার্যত ধুলোয় মিশিয়ে দিয়ে বাংলার ক্ষমতা হাতে নিয়েছে গেরুয়া শিবির। (Suvendu Adhikari)এবার প্রশ্ন মুখ্যমন্ত্রী কে হচ্ছেন বাংলার, তা নিয়েও চলছে জল্পনা। বৈঠকের জন্য রাজনাথ সিং এবং অমিত শাহ আসছেন রাজ্যে এবং বৈঠকের পরেই ঠিক হবে পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রীর নাম। তবে এই আবহে একটি ভুয়ো শপথ গ্রহণের আমন্ত্রণ ঘিরে তৈরী হয়েছে বিভ্রান্তি। সেখানে লেখা আছে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান আগামী ৯ তারিখ ব্রিগেড প্যারেড ময়দানে।
এই ভাইরাল ডিজিটাল কার্ড ঘিরে মুহূর্তের মধ্যে তৈরি হয় বিভ্রান্তি। অনেকেই এটিকে সত্যি বলে ধরে নিয়ে শেয়ার করতে শুরু করেন। তবে খুব দ্রুতই বিষয়টি নিয়ে সরব হয় বঙ্গ বিজেপি। দলের অফিসিয়াল সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেল থেকে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয় যে এই আমন্ত্রণপত্র সম্পূর্ণ ভুয়ো এবং বিভ্রান্তিকর। বিজেপি নেতৃত্ব সাধারণ মানুষকে সতর্ক করে বলেছে, যাচাই না করে এ ধরনের তথ্য বিশ্বাস বা প্রচার না করতে।
আরও দেখুনঃ সন্দেশখালিতে দুষ্কৃতীদের গুলিবৃষ্টি! আক্রান্ত থানার ওসি ও ২ জওয়ান
দলের তরফে জানানো হয়েছে, মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন সেই সিদ্ধান্ত এখনও চূড়ান্ত হয়নি। এই বিষয়ে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বই শেষ কথা বলবে। ইতিমধ্যেই জানা গেছে, দলের শীর্ষ নেতা রাজনাথ সিং এবং অমিত শাহ রাজ্যে আসছেন এবং তাঁদের উপস্থিতিতেই বিধায়ক দল বৈঠকের মাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।
অন্যদিকে, শুভেন্দু অধিকারী নিজেও একাধিকবার এই জল্পনা উড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, তিনি মুখ্যমন্ত্রী পদের দৌড়ে নেই এবং দল যা সিদ্ধান্ত নেবে সেটাই মেনে চলবেন। নিজেকে তিনি “একজন সাধারণ কর্মী” হিসেবেই তুলে ধরেছেন। তাঁর এই মন্তব্য রাজনৈতিক মহলে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের ভুয়ো আমন্ত্রণপত্র বা ডিজিটাল কার্ড তৈরি করে ছড়ানো এখনকার রাজনৈতিক পরিবেশে নতুন কিছু নয়। সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়া এইসব বিভ্রান্তিকর তথ্য সাধারণ মানুষের মধ্যে ভুল ধারণা তৈরি করতে পারে। তাই প্রশাসন এবং রাজনৈতিক দল উভয়েই বারবার সতর্ক করছে কোনো খবর বিশ্বাস করার আগে তার সত্যতা যাচাই করা অত্যন্ত জরুরি। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে কারা বা কোন উদ্দেশ্যে এই ধরনের ভুয়ো প্রচার চালাচ্ছে? যদিও এখনও পর্যন্ত এর উৎস সম্পর্কে স্পষ্ট কিছু জানা যায়নি, তবে বিষয়টি নিয়ে নজরদারি বাড়িয়েছে প্রশাসন।