Ways to overcome digital addiction: স্ক্রিনের নেশা কাড়ছে রাতের ঘুম? কাটান এভাবে - Bengali News | 6 Proven Ways to Overcome Digital Addiction and Mental Fatigue - 24 Ghanta Bangla News
Home

Ways to overcome digital addiction: স্ক্রিনের নেশা কাড়ছে রাতের ঘুম? কাটান এভাবে – Bengali News | 6 Proven Ways to Overcome Digital Addiction and Mental Fatigue

Spread the love

ডিজিটাল আসক্তি (Digital Addiction) থেকে মুক্তির উপায়Image Credit: Free pik

সকালবেলা চোখের পাতা খোলার আগেই হাতটা অজান্তেই বালিশের পাশে রাখা স্মার্টফোনটা খুঁজে বেড়ায়। তারপর শুরু হয় ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম বা হোয়াটসঅ্যাপের নোটিফিকেশনের গোলকধাঁধায় হারিয়ে যাওয়া। অফিসের কাজ হোক বা অবসরের বিনোদন- অনেকেরই দিন এখন শুরু হয় স্ক্রিনে, শেষও হয় স্ক্রিনেই। কিন্তু এই অবিরাম স্ক্রল কি আমাদের অজান্তেই মানসিকভাবে নিঃস্ব করে দিচ্ছে? চিকিৎসকরা একেই বলছেন ‘ডিজিটাল ক্লান্তি’ বা ‘ডিজিটাল ফ্যাটিগ’। দিনভর অস্থিরতা, কাজে অনীহা আর চোখ-মাথার যন্ত্রণা এখন ঘরে ঘরে। এই ডিজিটাল মরণফাঁদ থেকে মুক্তির পথ ঠিক কী?

ডিজিটাল আসক্তি (Digital Addiction) থেকে মুক্তির উপায়

প্রযুক্তিকে জীবন থেকে পুরোপুরি মুছে ফেলা সম্ভব নয়, তবে একে নিয়ন্ত্রণে রাখা জরুরি। শরীর ও মনকে সতেজ রাখতে কয়েকটি সহজ অভ্যাস বদলে দিতে পারে আপনার জীবন:

১) ঘুম থেকে উঠেই নীল আলোর স্ক্রিনে চোখ রাখা মস্তিষ্কের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। দিনের প্রথম এক ঘণ্টা ফোন থেকে দূরে থাকুন। জানালার বাইরে আকাশ দেখা, একটু হাঁটাহাঁটি বা এক কাপ চা— নিজেকে সময় দিন। এতে সারা দিনের কাজের শক্তি পাওয়া যায়।

২) একটানা কম্পিউটারের সামনে বসে থাকলে ‘কম্পিউটার ভিশন সিনড্রোম’ হতে পারে। তাই প্রতি আধা ঘণ্টা অন্তর স্ক্রিন থেকে চোখ সরিয়ে অন্তত ২০ ফুট দূরের কোনো বস্তুর দিকে তাকান। এতে চোখের পেশি আরাম পায়।

৩) সারাদিন ফোনের টুংটাং শব্দ মনোযোগের বারোটা বাজিয়ে দেয়। অপ্রয়োজনীয় অ্যাপের নোটিফিকেশন বন্ধ করে রাখুন। ফোন যেন আপনাকে নিয়ন্ত্রণ না করে, বরং আপনি ফোনকে নিয়ন্ত্রণ করুন।

৪)বিছানায় শোবার অন্তত এক ঘণ্টা আগে ফোন দূরে সরিয়ে রাখুন। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, ফোনের ব্লু-লাইট মেলাটোনিন হরমোনের ক্ষরণ কমিয়ে দেয়, যার ফলে ঘুমের দফারফা হয়। এর বদলে একটা ভালো বই পড়ার অভ্যাস করুন।

৫) সোশ্যাল মিডিয়ায় লাইক-কমেন্টের চেয়ে সামনে বসে থাকা বন্ধুর সঙ্গে আড্ডা বা পরিবারের মানুষের সঙ্গে কথা বলা অনেক বেশি মানসিক প্রশান্তি দেয়। দিনশেষে মানুষ মানুষেরই সঙ্গ চায়, যন্ত্রের নয়।

৬) খাওয়ার সময় মোবাইল ব্যবহারের অভ্যাস হজমের সমস্যা তৈরি করতে পারে এবং পরিবারের সঙ্গে দূরত্ব বাড়ায়। তাই খাবার সময় ডিজিটাল ডিভাইসকে সম্পূর্ণ ‘না’ বলুন।

আধুনিক যুগে প্রযুক্তি প্রয়োজন, কিন্তু তা যেন নেশা না হয়ে দাঁড়ায়। জীবনকে ভারসাম্যপূর্ণ করতে আজ থেকেই এই ছোট ছোট পদক্ষেপগুলো নিতে শুরু করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *