ডবল ইঞ্জিন সরকার প্রতিষ্ঠা করতে রাজ্যে আসছেন শাহ-রাজনাথ
কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক মানচিত্রে ঐতিহাসিক পরিবর্তন। (double engine)বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির বিরুদ্ধে ভরাডুবি হয়েছে তৃণমূলের। বিজেপির নিরঙ্কুশ জয়ের ফলে রাজ্যে প্রথমবার সরকার গঠনের পথে এগোচ্ছে গেরুয়া শিবির। ২০৭টি আসন …
কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক মানচিত্রে ঐতিহাসিক পরিবর্তন। (double engine)বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির বিরুদ্ধে ভরাডুবি হয়েছে তৃণমূলের। বিজেপির নিরঙ্কুশ জয়ের ফলে রাজ্যে প্রথমবার সরকার গঠনের পথে এগোচ্ছে গেরুয়া শিবির। ২০৭টি আসন জিতে তারা একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে, যা স্বাভাবিকভাবেই রাজ্য রাজনীতিতে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করতে চলেছে। এই আবহেই দিল্লি থেকে একের পর এক শীর্ষ নেতৃত্বের কলকাতা সফরের খবর সামনে আসছে।
জানা যাচ্ছে, কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং কলকাতায় আসছেন। তাঁর এই সফরের মূল উদ্দেশ্য হবে রাজ্যে নতুন সরকার গঠনের প্রক্রিয়া তদারকি করা এবং মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচনের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করা। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ-রও কলকাতা সফরের সম্ভাবনা রয়েছে বলে সূত্রের খবর। ফলে স্বাভাবিকভাবেই রাজনৈতিক মহলে জল্পনা তুঙ্গে উঠেছে।
আরও দেখুনঃ ডিআরডিও-তে ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষার্থীদের জন্য ইন্টার্নশিপের সুযোগ, বিস্তারিত জানুন
সবচেয়ে বড় প্রশ্ন এখন কে হবেন পশ্চিমবঙ্গের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী? এই নিয়ে ইতিমধ্যেই একাধিক নাম সামনে এলেও, রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করছে যে শুভেন্দু অধিকারী এই দৌড়ে অনেকটাই এগিয়ে রয়েছেন। নন্দীগ্রামে এবং ভবানীপুরে তাঁর রাজনৈতিক লড়াই এবং সংগঠন গড়ে তোলার ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকা বিজেপির অভ্যন্তরে যথেষ্ট গুরুত্ব পেয়েছে। যদিও দলীয়ভাবে এখনও পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি, তবে শুভেন্দুকে ঘিরে জল্পনা ক্রমশ জোরালো হচ্ছে।
এদিকে বিজেপি শিবির ইতিমধ্যেই সরকার গঠনের প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে। সূত্রের দাবি, মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলেই দ্রুত শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হবে। রাজ্য বিজেপির নেতারা একাধিক বৈঠক করছেন এবং প্রশাসনিক কাঠামো কীভাবে সাজানো হবে তা নিয়েও আলোচনা চলছে। নতুন সরকারের অগ্রাধিকার কী হবে, কোন খাতে জোর দেওয়া হবে এই সমস্ত বিষয় নিয়েও পরিকল্পনা শুরু হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই মুহূর্তে বিজেপির কাছে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হল স্থিতিশীল সরকার গঠন এবং নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন করা। দীর্ঘদিনের শাসন পরিবর্তনের পর সাধারণ মানুষের প্রত্যাশাও অনেক বেশি। তাই মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচনের ক্ষেত্রে দল এমন একজনকে বেছে নিতে চাইবে, যিনি প্রশাসনিক দক্ষতার পাশাপাশি রাজনৈতিক ভারসাম্যও বজায় রাখতে পারবেন।