অরুণাচলে অসামরিক নাগরিকদের রক্ষায় দিয়েছিলেন আত্মবলিদান
মাত্র ২৭ বছর বয়সে এই আত্মত্যাগ, এই পরিণত বুদ্ধি, ভাবা যায়? এই দুঃসংবাদ যখন তাঁর বাড়িতে এসে পৌঁছেছিল, সেই সময়ে মেজর মুস্তাফার বিয়ের প্রস্তুতি ছিল প্রায় শেষ পর্যায়ে। কিন্তু শোকের ঊর্ধ্বে উঠে তাঁর পরিবার তাঁদের ছেলের আত্মবলিদানকে কুর্নিশ জানিয়েছিল।
মেজর বোহরার এই অসামান্য সাহসিকতাকে সম্মান জানিয়ে ২০২৪ সালের ৫ জুলাই রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু তাঁর বাবা-মায়ের হাতে তুলে দিয়েছিলেন মরণোত্তর ‘শৌর্য চক্র’। উদয়পুরের খেরোদা গ্রামের এই ভূমিপুত্র আজ গোটা ভারতের গর্ব। তাঁর মা ফাতিমা বোহরার কথায়, ‘সৈনিকদের মৃত্যু হয় না, তাঁরা বেঁচে থাকেন দেশবাসীর হৃদয়ে।’