মমতা ইস্তফা না দিলে সংবিধান মেনে বরখাস্ত করতে পারেন রাজ্যপাল - 24 Ghanta Bangla News
Home

মমতা ইস্তফা না দিলে সংবিধান মেনে বরখাস্ত করতে পারেন রাজ্যপাল

Spread the love

কলকাতা: বাংলায় নির্বাচনী ফলাফল ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। (Mamata Banerjee)ভোটে লজ্জাজনক হারের পরেও ইস্তফা দিতে নারাজ মমতা বন্দোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী যদি ভোটে হেরে যাওয়ার পরও পদত্যাগ …

কলকাতা: বাংলায় নির্বাচনী ফলাফল ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। (Mamata Banerjee)ভোটে লজ্জাজনক হারের পরেও ইস্তফা দিতে নারাজ মমতা বন্দোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী যদি ভোটে হেরে যাওয়ার পরও পদত্যাগ না করেন, তাহলে পরবর্তী পদক্ষেপ কী হতে পারে? এই প্রশ্নকে ঘিরে সংবিধান ও রাজ্যপালের ভূমিকা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-কে কেন্দ্র করে এই বিতর্ক আরও তীব্র হয়েছে।

ভারতের গণতান্ত্রিক কাঠামোয় মুখ্যমন্ত্রীর অবস্থান সরাসরি জনগণের ভোটে নির্ধারিত হয় না, বরং তিনি বিধানসভার সংখ্যাগরিষ্ঠতার ওপর নির্ভরশীল। অর্থাৎ, যে দল বা জোট বিধানসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়, সেই দলের নেতা মুখ্যমন্ত্রী হন। ফলে নির্বাচনে যদি কোনও দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারায়, তাহলে স্বাভাবিকভাবেই সেই সরকারের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।

এই পরিস্থিতিতে সাধারণত মুখ্যমন্ত্রী নিজে থেকেই ইস্তফা দেন। কিন্তু যদি তিনি তা না করেন, তখন সংবিধান অনুযায়ী রাজ্যপাল হস্তক্ষেপ করতে পারেন। রাজ্যপাল মূলত সংবিধানের রক্ষক হিসেবে কাজ করেন এবং তাঁর দায়িত্ব হল রাজ্যে একটি বৈধ ও সংখ্যাগরিষ্ঠ সরকার নিশ্চিত করা।

আরও দেখুনঃ ১৯০টি সিএসবিও গ্রেড-২ পদে নিয়োগ করবে ভারতীয় সেনা

প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে রাজ্যপাল মুখ্যমন্ত্রীকে বিধানসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করতে বলেন, যাকে বলা হয় “ফ্লোর টেস্ট”। এই প্রক্রিয়ায় মুখ্যমন্ত্রীকে দেখাতে হয় যে তাঁর পক্ষে এখনও পর্যাপ্ত সংখ্যক বিধায়ক রয়েছেন। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে এই পরীক্ষা সম্পন্ন করতে হয় এবং তা সাধারণত খোলা ভোট বা ভয়েস ভোটের মাধ্যমে হয়।

যদি মুখ্যমন্ত্রী ফ্লোর টেস্টে ব্যর্থ হন, অথবা তা এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন, তখন রাজ্যপাল কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। এমন পরিস্থিতিতে তিনি মুখ্যমন্ত্রীকে পদ থেকে অপসারণ করতে পারেন এবং অন্য কোনও দল বা জোটকে সরকার গঠনের জন্য আমন্ত্রণ জানাতে পারেন। উদাহরণস্বরূপ, যদি বিরোধী দল পরিষ্কার সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়, তাহলে সেই দলের নেতাকে নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার জন্য ডাকা হবে।

এছাড়াও, যদি কোনও দলই স্পষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পায়, তাহলে রাজ্যপাল তাঁর বিবেচনাবোধ প্রয়োগ করে বৃহত্তম দল বা সম্ভাব্য জোটকে সরকার গঠনের সুযোগ দেন। এই ক্ষেত্রেও ফ্লোর টেস্ট বাধ্যতামূলক, যাতে প্রমাণ হয় যে নতুন সরকার সত্যিই বিধানসভার আস্থা অর্জন করেছে।
তবে ইস্তফা না দিলে সংবিধানের ১৬৪/১ ধারা অনুযায়ী বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রীকে বরখাস্ত করতে পারেন। অর্থাৎ, মুখ্যমন্ত্রী যদি বিধানসভার আস্থা হারান, তাহলে তিনি আর পদে থাকার নৈতিক বা সাংবিধানিক অধিকার রাখেন না।

ভিডিও নিউজ দেখুন

https://www.youtube.com/watch?v=videoseries

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *