ভোট গণনাকে কেন্দ্র করে বেধড়ক মার তৃণমূলের তৃণাঙ্কুরকে
কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনাকে ঘিরে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে রাজনৈতিক উত্তেজনা চরমে। (Trinankur Bhattacharya)এই আবহেই ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চলের নোয়াপাড়া বিধানসভা কেন্দ্র ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকায় উদ্বেগজনক পরিস্থিতির সৃষ্টি …
কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনাকে ঘিরে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে রাজনৈতিক উত্তেজনা চরমে। (Trinankur Bhattacharya)এই আবহেই ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চলের নোয়াপাড়া বিধানসভা কেন্দ্র ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকায় উদ্বেগজনক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। নোয়াপাড়ার তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্যের ওপর হামলার অভিযোগ ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।
স্থানীয় সূত্রের দাবি, ভোট গণনাকেন্দ্রের সামনে হঠাৎই উত্তেজনা তৈরি হয়। অভিযোগ, বিজেপি সমর্থকদের একাংশ তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্যকে লক্ষ্য করে আক্রমণ চালায় এবং তাঁকে বেধড়ক মারধর করা হয়। ঘটনায় তিনি আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। সঙ্গে থাকা দলীয় কর্মীরাও আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। ঘটনাটি ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়ে গিয়েছে। তৃণমূল সমর্থক কর্মীরা সরাসরি বিজেপি প্রার্থী অর্জুন সিংকে দায়ী করেছেন।
আরও দেখুনঃ সাখাওয়াত মেমোরিয়ালে ধুন্ধুমার: তৃণমূলের জমায়েতে বিজেপির ‘হামলা’, ভাঙল চেয়ার
এই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই পানিহাটি এলাকার ১৮ নম্বর ওয়ার্ড থেকেও আরও এক চাঞ্চল্যকর খবর সামনে আসে। সেখানে তৃণমূল কংগ্রেসের একটি দলীয় কার্যালয় বিজেপি সমর্থকদের দ্বারা দখল করে নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। শুধু দখলই নয়, ওই কার্যালয়ে বিজেপির পতাকা টাঙানো হয়েছে বলেও স্থানীয়রা জানিয়েছেন। ঘটনার পর থেকেই এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে বিশাল পুলিশ বাহিনী। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, কোনও রকম অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে টহলদারি জোরদার করা হয়েছে এবং সংবেদনশীল এলাকাগুলিতে বিশেষ নজরদারি চালানো হচ্ছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সকল রাজনৈতিক দল ও সমর্থকদের শান্ত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এবারের ভোট গণনার ট্রেন্ড সামনে আসার পর থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে বিজয়োল্লাস শুরু হয়েছে। বিশেষ করে যেখানে বিজেপি প্রার্থীরা এগিয়ে রয়েছেন, সেখানে কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তবে সেই আনন্দ অনেক ক্ষেত্রেই উত্তেজনায় রূপ নিচ্ছে, যার ফলেই এই ধরনের সংঘর্ষের ঘটনা সামনে আসছে।
তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে যে পরিকল্পিতভাবে তাঁদের কর্মী ও নেতাদের টার্গেট করা হচ্ছে। অন্যদিকে বিজেপির তরফে পাল্টা দাবি করা হয়েছে, এই ধরনের অভিযোগ ভিত্তিহীন এবং রাজনৈতিকভাবে প্রভাব বিস্তারের উদ্দেশ্যে করা হচ্ছে। ফলে পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল আকার নিচ্ছে।