সকাল সকাল ট্রেন্ডে এগিয়ে বিজেপির পরিচিত এই প্রার্থীরা
২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচন শুরু থেকেই টানটান উত্তেজনায় ভরপুর। রাজনৈতিক মহলের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের নজরও ছিল এই ভোটযুদ্ধের দিকে। একদিকে এসআইআর ইস্যু নিয়ে তুমুল তরজা, অন্যদিকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা …
২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচন শুরু থেকেই টানটান উত্তেজনায় ভরপুর। রাজনৈতিক মহলের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের নজরও ছিল এই ভোটযুদ্ধের দিকে। একদিকে এসআইআর ইস্যু নিয়ে তুমুল তরজা, অন্যদিকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর সরাসরি রাজনৈতিক লড়াই সব মিলিয়ে এবারের নির্বাচন যেন একেবারে অন্য মাত্রা পেয়েছে। ভবানীপুর থেকে নন্দীগ্রাম, উত্তরবঙ্গ থেকে দক্ষিণবঙ্গ রাজ্যের প্রায় প্রতিটি কেন্দ্রে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের ছবি সামনে এসেছে।
আজ, সোমবার সেই প্রতীক্ষিত ফল ঘোষণার দিন। সকাল থেকেই শুরু হয়েছে ভোট গণনা। নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী সকাল ৮টা থেকে প্রথমে পোস্টাল ব্যালটের গণনা শুরু হয়। এই পোস্টাল ব্যালটের ফলাফল অনেক সময়ই প্রাথমিক ট্রেন্ডের একটা ইঙ্গিত দেয়, আর এবারের ক্ষেত্রেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। প্রথম দফার গণনায় দেখা যাচ্ছে, বিজেপির একাধিক হেভিওয়েট প্রার্থী এগিয়ে রয়েছেন, যা স্বাভাবিকভাবেই রাজনৈতিক সমীকরণকে আরও চর্চার কেন্দ্রে নিয়ে এসেছে।
শিবপুর কেন্দ্রে অভিনেতা থেকে রাজনীতিবিদ হওয়া রুদ্রনীল ঘোষ শুরু থেকেই লিড নিয়েছেন। বরানগরে এগিয়ে রয়েছেন সজল ঘোষ। দক্ষিণ কলকাতার গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র রাসবিহারীতে প্রাক্তন সাংসদ স্বপন দাশগুপ্তও প্রাথমিক গণনায় এগিয়ে রয়েছেন। একইভাবে শ্যামপুরে অভিনেতা হিরণ চট্টোপাধ্যায় লড়াইয়ে এগিয়ে থেকে নজর কেড়েছেন।
উত্তর কলকাতার শ্যামপুকুর কেন্দ্রেও বিজেপির পূর্ণিমা চক্রবর্তী এগিয়ে রয়েছেন, যা দলীয় কর্মীদের মধ্যে উচ্ছ্বাস বাড়িয়েছে। পশ্চিম বর্ধমানের পাণ্ডবেশ্বরে জিতেন্দ্র তিওয়ারির লিডও যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। শিল্পাঞ্চল আসানসোল দক্ষিণ কেন্দ্রে অগ্নিমিত্রা পল এগিয়ে থেকে বিজেপির শক্ত ঘাঁটি আরও মজবুত করার ইঙ্গিত দিয়েছেন।
পূর্ব মেদিনীপুরের ময়নায় প্রাক্তন ক্রিকেটার অশোক দিন্দা এগিয়ে রয়েছেন, যা এই কেন্দ্রে ত্রিমুখী লড়াইয়ের মধ্যে বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে। অন্যদিকে, উত্তর ২৪ পরগনার নোয়াপাড়ায় অর্জুন সিংয়ের এগিয়ে থাকা বিজেপির পক্ষে ইতিবাচক সংকেত হিসেবে দেখা হচ্ছে।