জয়ের আনন্দে মাছে-ভাতে পিকনিক বিজেপি কর্মীদের
কলকাতা: বাংলায় এবার গেরুয়া ঝড়। ১৫ বছরের তৃণমূল শাসনের অবসান ঘটিয়ে বাংলায় সরকার গড়বে বিজেপি। (fish rice)এই আবহেই বিজেপি কর্মীরা রীতিমত মাছ ভাত দিয়ে সারলেন পিকনিক। মমতা বন্দোপাধ্যায় …
কলকাতা: বাংলায় এবার গেরুয়া ঝড়। ১৫ বছরের তৃণমূল শাসনের অবসান ঘটিয়ে বাংলায় সরকার গড়বে বিজেপি। (fish rice)এই আবহেই বিজেপি কর্মীরা রীতিমত মাছ ভাত দিয়ে সারলেন পিকনিক। মমতা বন্দোপাধ্যায় তার নির্বাচনী প্রচারে বার বার একটি ন্যারেটিভ বুঝিয়ে এসেছেন যে বিজেপি ক্ষমতায় এলে বাংলায় মাছ মাংস খাওয়া বন্ধ হয়ে যাবে। পাল্টা বিজেপিও নির্বাচনী প্রচারে মাছের সদ্ব্যবহার করে বুঝিয়ে দিয়েছে বাংলা মাছ ছাড়া থাকতে পারবে না।
তাই বাংলায় গেরুয়া ঝড় তুলেই বিজেপি কর্মীরা দুপুরের খাবার খেলেন মাছ সহযোগে। হাসি-আনন্দে মুখরিত পরিবেশে এই পিকনিক যেন শুধু খাওয়া নয়, একটা রাজনৈতিক বার্তাও হয়ে উঠল।১৫ বছরের তৃণমূল শাসনের অবসান ঘটিয়ে বিজেপি যখন বাংলায় সরকার গড়তে চলেছে, তখন এই উদযাপন আরও বেশি তাৎপর্যপূর্ণ। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নির্বাচনী প্রচারে বারবার বলে এসেছিলেন, বিজেপি ক্ষমতায় এলে বাংলায় মাছ-মাংস খাওয়া বন্ধ হয়ে যাবে, সনাতনী খাদ্যাভ্যাসে হস্তক্ষেপ করা হবে।
আরও দেখুনঃ রাজ্যে গেরুয়া ঝড়! জামুড়িয়ায় তৃণমূল পার্টি অফিসে জ্বলছে আগুন
বিজেপি অবশ্য সেই অভিযোগকে সরাসরি খণ্ডন করে প্রচার করেছিল যে বাংলা মাছ ছাড়া অচল। আজ জয়ের পর সেই বার্তাকেই যেন বাস্তবে রূপ দিলেন বিজেপি কর্মীরা। রাজ্যের বিভিন্ন জেলায়ও একই ছবি। ব্যারাকপুর, হুগলি, নন্দীগ্রাম, বাঁকুড়া সর্বত্র বিজেপি কর্মীরা ছোট ছোট দলে ভাগ হয়ে মাছ-ভাতের আয়োজন করেছেন। অনেক জায়গায় স্থানীয় মাছ ব্যবসায়ীরা উৎসাহ করে মাছ দিয়ে সাহায্যও করেছেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এই পিকনিক শুধু উদযাপন নয়, একটা সাংস্কৃতিক প্রত্যুত্তরও। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে ন্যারেটিভ তৈরি করেছিলেন, তাকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ করে বিজেপি কর্মীরা দেখিয়ে দিলেন যে তাঁরা বাংলার সংস্কৃতি, খাদ্যাভ্যাস ও ঐতিহ্যের পক্ষে। নন্দীগ্রামের এক বিজেপি কর্মী আবেগের সঙ্গে বললেন, “আমরা শুধু সরকার বদলাতে চাইনি, বাংলার আত্মাকে ফিরিয়ে আনতে চেয়েছি। মাছ-ভাত আমাদের প্রাণ। এটা খেয়েই আমরা লড়াই করেছি, জিতেছি।”