কাউন্টিং সেন্টারের বাইরে ডিজে-আবির, তৈরি দু'পক্ষই - 24 Ghanta Bangla News
Home

কাউন্টিং সেন্টারের বাইরে ডিজে-আবির, তৈরি দু'পক্ষই

Spread the love

এই সময়, খড়্গপুর: যুযুধান দু’পক্ষই আত্মবিশ্বাসে ফুটছে। কাউন্টিংয়ের জন্যও সাজ সাজ রবে উভয় পক্ষই। কাউন্টিং হলের বাইরে দু’দলেরই বৃহৎ শিবির। যেখানে হাজির থাকবেন দলীয় কর্মী-সমর্থকরা। তাঁদের জন্য চেয়ারের পাশাপাশি থাকবে পানীয় জলের ব্যবস্থা, টিফিন থেকে দুপুরের খাবার। আর থাকবে আবির এবং ডিজে, বাজনা। কোনও কেন্দ্রে এগিয়ে থাকার খবর মিললেই বাজনা বাজবে, সঙ্গে চলবে নাচ।

পশ্চিম মেদিনীপুরে ১৫টি বিধানসভা কেন্দ্র। সেগুলির গণনাকেন্দ্র হয়েছে মেদিনীপুর, খড়গপুর ও ঘাটাল। মেদিনীপুর কলেজ ও কলেজিয়েট স্কুলের গণনাকেন্দ্রে সাতটি বিধানসভা কেন্দ্রের গণনা হবে-মেদিনীপুর, কেশপুর, শালবনি, গড়বেতা, ডেবরা, দাঁতন এবং নারায়ণগড়। খড়গপুরের কেন্দ্রীয় বিদ্যালয়ে গণনা হবে খড়গপুর সদর, খড়গপুর গ্রামীণ, সবং, পিংলা ও কেশিয়াড়ির। ঘাটালের গণনাকেন্দ্রে ঘাটাল, দাসপুর ও চন্দ্রকোণা বিধানসভার গণনা হবে। রবিবার থেকে গণনাকেন্দ্রের দু’দিকের রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। পাহারায় । রয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। শুধুমাত্র যাঁরা গণনাকেন্দ্রে কোনও প্রয়োজনে যাচ্ছেন, তাঁদের উপযুক্ত নথি দেখিয়ে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে।

কিন্তু গণনার সময়ে প্রচুর সাধারণ মানুষ থেকে রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মী-সমর্থকরা হাজির হবেন। তাঁদের ক্ষেত্রে কী হবে? অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে গণনাকেন্দ্রের এক দিকে তৃণমূলকে নির্দিষ্ট দূরত্বে শিবির করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। আবার তার উল্টোদিকে শিবিরের অনুমতি দেওয়া হয়েছে বিজেপিকে। তৃণমূল জানিয়েছে, যতক্ষণ গণনা চলবে ততক্ষণ প্রতিটি গণনাকেন্দ্রের বাইরে সব সময়ে কমপক্ষে ৩-৪ হাজার কর্মী-সমর্থক থাকবেন।

তাঁদের জন্য জল থেকে খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। সঙ্গে থাকবে তাসা, ডিজে এবং আবির। কোনও প্রার্থী এগিয়ে রয়েছে খবর এলেই শুরু হবে আবির উড়িয়ে নাচ। জয়ী প্রার্থীদের সংখ্যা যত বাড়বে, বাজনার তালে নাচ এবং আবির খেলাও তত বাড়বে। মেদিনীপুর সাংগঠনিক জেলা তৃণমূল সভাপতি সুজয় হাজরা বলেন, ‘দুপুরের মধ্যেই সব পরিষ্কার হয়ে যাবে। জিতছি আমরাই। তাই আগে থেকেই কর্মী-সমর্থকদের উৎসাহিত করতে তাসা, ডিজের অর্ডার দেওয়া হয়েছে। যাতে জয়ের আনন্দ সবাই উপভোগ করতে পারেন।’

বিজেপির দাবি, গণনাকেন্দ্রের পাশের শিবিরে প্রায় ৫-৭ হাজার মানুষের জমায়েত থাকবে তাঁদের। থাকবে বাজনা আর গেরুয়া আবির। কর্মী-সমর্থকদের খাবারের ব্যবস্থার পাশাপাশি সাধারণ মানুষকে অভ্যর্থনা জানাতে থাকবে লাড্ডু। যত জয়ের খবর আসবে ততই গেরুয়া আবিরে মাখিয়ে লাড্ডু খাইয়ে সকলের সঙ্গে আনন্দ ভাগ করে নেবেন বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। মেদিনীপুর সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সভাপতি সুমিত মণ্ডল বলেন, ‘দেখবেন, আমাদের শিবিরে শুধু দলীয় কর্মী-সমর্থক নয়। কাতারে কাতারে সাধারণ মানুষও ভিড় জমাবেন।’

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *