বুথফেরত সমীক্ষায় আস্থা নেই! ৪ মে-র আগে উচ্ছ্বাস চেপে ‘ধীরে চলো’ নীতি বিজেপির - 24 Ghanta Bangla News
Home

বুথফেরত সমীক্ষায় আস্থা নেই! ৪ মে-র আগে উচ্ছ্বাস চেপে ‘ধীরে চলো’ নীতি বিজেপির

Spread the love

কলকাতা: বুথফেরত সমীক্ষার পরিসংখ্যানে বাংলার পাল্লা গেরুয়া শিবিরের দিকে ঝুঁকে থাকলেও, এবার উল্লাসের পথে হাঁটছে না বিজেপি। বিগত দেড় দশকের রীতি ভেঙে এক্সিট পোল নিয়ে যথেষ্ট সতর্ক অবস্থানে …

কলকাতা: বুথফেরত সমীক্ষার পরিসংখ্যানে বাংলার পাল্লা গেরুয়া শিবিরের দিকে ঝুঁকে থাকলেও, এবার উল্লাসের পথে হাঁটছে না বিজেপি। বিগত দেড় দশকের রীতি ভেঙে এক্সিট পোল নিয়ে যথেষ্ট সতর্ক অবস্থানে দিল্লি। দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সাফ কথা, ৪ মে আসল ফলাফল না আসা পর্যন্ত তাঁরা কোনো আগাম পূর্বাভাসকে মাপকাঠি হিসেবে ধরছেন না। (West Bengal exit poll BJP reaction)

কেন্দ্রীয় বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল এদিন স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, তাঁরা বুথফেরত সমীক্ষাকে অতিরিক্ত গুরুত্ব দিতে নারাজ। তাঁর কথায়, ‘আসল ফল বেরোবে ৪ মে, সেদিনই সব পরিষ্কার হবে’। একই সুর শোনা গিয়েছে দলের মুখপাত্র অজয় অলকের গলাতেও। রাজনৈতিক মহলের মতে, অতি-উৎসাহ দেখাতে গিয়ে অতীতে মুখ পুড়বার অভিজ্ঞতা থেকেই এবার এই ‘ধীরে চলো’ নীতি নিয়েছে পদ্ম শিবির।

বাংলার ‘নীরবতা’ ও পিছু হটা সমীক্ষকদের

সবচেয়ে বড় চমক দিয়েছে দেশের অন্যতম জনপ্রিয় সমীক্ষক সংস্থা ‘অ্যাক্সিস মাই ইন্ডিয়া’। বৃহস্পতিবার তারা ঘোষণা করেছে যে, পশ্চিমবঙ্গের জন্য কোনো এক্সিট পোল প্রকাশ করছে না তারা। সংস্থার দাবি, বাংলায় সমীক্ষা চালাতে গিয়ে দেখা গিয়েছে ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ ভোটার মুখ খুলতে নারাজ। অর্থাৎ, ১০ জনের মধ্যে ৮ জনই ‘সাইলেন্ট ভোটার’।

কেন এই পিছুটান?

  • ২০২১ ও ২০২৪ সালের নির্বাচনে এই সংস্থার বাংলার পূর্বাভাস সম্পূর্ণ ভুল প্রমাণিত হয়েছিল।
  • মাত্র ২০ শতাংশ মানুষের মতামতের ভিত্তিতে কোনো বড় মাপের পূর্বাভাস দেওয়াকে বড় ঝুঁকি বলে মনে করছে তারা।
  • সংস্থাটির মতে, যে রাজ্যে সিংহভাগ মানুষের মনের গতিবিধি বোঝা অসম্ভব, সেখানে কোনো পূর্বাভাস দেওয়া মানেই ভুল হওয়ার সম্ভাবনা।

সব মিলিয়ে, ৪ মে-র আগে বাংলার জনমতের আসল ছবিটা যে এখনো এক বড় রহস্য, তা খোদ সমীক্ষক সংস্থার পিছু হটাতেই পরিষ্কার হয়ে গেল।

ভিডিও নিউজ দেখুন

https://www.youtube.com/watch?v=videoseries

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *