বিরাটদের হারে মিশে থাকল ক্যাচ বিতর্ক
এই সময়: ১৫৬ রানের টার্গেট। কিন্তু গুজরাট টাইটান্স শুরু করেছিল ঝোড়ো মেজাজেই। শুরুতে সাই সুদর্শনের (৬) উইকেট হারালেও গুজরাট ক্যাপ্টেন শুবমান গিল (১৮ বলে ৪৩) ও জস বাটলার (১৯ বলে ৩৯) চালিয়ে খেলে গিয়েছেন। সেটাই জয়ের দিকে নিয়ে যায় গুজরাটকে। ১৫.৫ ওভারে ১৫৮–৬ তুলে ৪ উইকেটে জয় গুজরাটের।
হারলেও বেঙ্গালুরুর হয়ে বল হাতে দুরন্ত ভুবনেশ্বর কুমারের (৩–২৮)। ৯ ম্যাচে ১৭ উইকেট নিয়ে এখন বেগুনি টুপির মালিক তিনিই। অলরাউন্ড পারফর্ম করে ম্যাচের সেরা গুজরাটের জেসন হোল্ডার। ৩টি ক্যাচ ধরেন তিনি। যার মধ্যে রজত পতিদারের (১৯) ক্যাচটি নিয়ে রয়েছে বিতর্ক। ক্যাচ ধরার পরে বল মাটিতে ছুঁয়ে গিয়েছিল বলে দাবি তোলেন বেঙ্গালুরু ক্রিকেটাররা। বাউন্ডারি লাইনে ম্যাচ অফিসিয়ালের সঙ্গে উত্তেজিত হয়ে কথা বলতে দেখা যায় বিরাট কোহলিকে।
বেঙ্গালুরুকে হারতে হলো ব্যাটিং ব্যর্থতায়। কাগিসো রাবাডার বলে ফিরতে হলো বিরাটকে (১৩ বলে ২৮)। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু ১৯.২ ওভারে ১৫৫ রানে অল আউট। বেঙ্গালুরুর হয়ে সবচেয়ে বেশি রান করেছেন দেবদত্ত পাডিক্কাল (৪০)। জ্যাকব বেথেল (৫), জিতেশ শর্মা (১), টিম ডেভিড (৯, ক্রুনাল পান্ডিয়া (৪) ডাহা ফেল। শেষ দিকে কিছুটা লড়াই করেন রোমারিও শেফার্ড (১৭), বেঙ্কটেশ আইয়ার (১২), ভুবনেশ্বর কুমার (১৫ নট আউট)।
বৃহস্পতিবার সন্ধেয় আমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে দাপট দেখায় গুজরাটের বোলিং ব্রিগেড। মহম্মদ সিরাজ ও কাগিসো রাবাডা একটি করে উইকেট নেন। এ দিন টাইটান্সের হয়ে নজর কেড়েছেন বাঁ হাতি পেসার আর্শাদ খান। মধ্যপ্রদেশের ২৮ বছরের যুবক আর্শাদের বোলিং পারফরম্যান্স ৩.২–০–২২–৩। উইকেট পেয়েছেন জেসন হোল্ডার (২–২৯), রশিদ খান (২–১৯)।