কারখানা নিয়ে হতাশা, রাজ্যে সবথেকে কম চিত্তরঞ্জনে
স্বভাবতই প্রশ্ন উঠেছে, চিত্তরঞ্জনে এত কম ভোট পড়ল কেন? এই শহরে রেলের স্বীকৃত শ্রমিক সংগঠন সিটু অনুমোদিত লেবার ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক রাজীব গুপ্ত বললেন, ‘এর অন্যতম কারণ, চিত্তরঞ্জন রেল কারখানায় কর্মরত শ্রমিকরা রেল মন্ত্রকের কাজকর্মে রীতিমতো হতাশ। সেই হতাশা থেকে অনেকেই ভোট দিতে যাননি।’ হতাশাকে ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি বললেন, ‘এখানে পাঁচ হাজারের বেশি শূন্য পদ পড়ে রয়েছে বছরের পর বছর। কারখানায় কাজের ৮০ শতাংশের বেশি আউটসোর্সিং করা হচ্ছে। তা নিয়ে আসানসোলের সাংসদ বা রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে কেউ দেশের সংসদে বা রেল মন্ত্রকের কাছে কোনও উচ্চবাচ্য করেন না।’ সিপিএমের শ্রমিক সংগঠনের এই নেতা আরও বললেন, ‘কয়েক দিন আগে আসানসোলে এসে প্রধানমন্ত্রীও এই বিষয়ে কিছু বলেননি। ফলে ভোট দিয়ে কী হবে, এটা অনেকের কাছে বড় প্রশ্ন হয়ে উঠেছে।’ কিছুটা হতাশার সুরে তাঁর সংযোজন, ‘এখানকার কমবয়সী ছেলেমেয়েদের অনেকেও একেবারেই আগ্রহী নয় ভোট দিতে। কারণ, তারা জানে, এখানে তাঁদের কোনও চাকরি হবে না।’