'অপরাধীদের লাশে মালা দিন!' প্রশাসনকে কড়া বার্তা বিহারের গেরুয়া মুখ্যমন্ত্রীর - 24 Ghanta Bangla News
Home

‘অপরাধীদের লাশে মালা দিন!’ প্রশাসনকে কড়া বার্তা বিহারের গেরুয়া মুখ্যমন্ত্রীর

Spread the love

পাটনা: বিহারের নব্য নিযুক্ত মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরী বিহার পুলিশকে স্পষ্ট ও কঠোর বার্তা দিয়েছেন। (Samrat Choudhary)তিনি বলেছেন “অপরাধীদের মালা পরাবেন না, তাদের লাশে মালা দিন।” এই মন্তব্যের মধ্য …

পাটনা: বিহারের নব্য নিযুক্ত মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরী বিহার পুলিশকে স্পষ্ট ও কঠোর বার্তা দিয়েছেন। (Samrat Choudhary)তিনি বলেছেন “অপরাধীদের মালা পরাবেন না, তাদের লাশে মালা দিন।” এই মন্তব্যের মধ্য দিয়ে তিনি অপরাধীদের প্রতি ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির স্পষ্ট ইঙ্গিত দিয়েছেন। তাঁর এই বক্তব্য আসার ঠিক ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বিহারে দুটি এনকাউন্টারের ঘটনা ঘটেছে, যা রাজ্যজুড়ে আলোচনার ঝড় তুলেছে।

একটি এনকাউন্টারে ভাগলপুরের সুলতানগঞ্জ নগর পরিষদের নির্বাহী আধিকারিক কৃষ্ণ ভূষণ কুমারের হত্যাকাণ্ডের মূল অভিযুক্ত রামধানী যাদব পুলিশের গুলিতে নিহত হয়েছেন। অপর ঘটনায় ছোটু যাদব নামে আরেক অভিযুক্তের দুই পায়ে গুলি লেগেছে। দুটি ঘটনাই পুলিশের দাবি অনুসারে ‘স্ব-রক্ষায়’ গুলি চালানোর ফল। সম্রাট চৌধুরীর কঠোর বার্তা এবং এই দুই এনকাউন্টারকে অনেকে একসূত্রে দেখছেন।

আরও দেখুনঃ স্টেনোগ্রাফার পদে শূন্যপদের ঘোষণা SSC-র, কীভাবে আবেদন করবেন?

সম্রাট চৌধুরী বলেছেন, বিহার আর অপরাধীদের স্বর্গরাজ্য নয়। পুলিশকে পূর্ণ স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছে অপরাধ দমনে কঠোর পদক্ষেপ নিতে। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে, অপরাধীদের ‘হিরো’ বানিয়ে মালা পরানোর দিন শেষ। বরং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় পুলিশ যদি কঠোর হয়, তাহলে সমাজ তাদের সম্মান জানাবে। তাঁর এই বক্তব্যকে অনেকে ‘ব্লান্ট অ্যান্ড বোল্ড’ বলে অভিহিত করছেন।রামধানী যাদবের ক্ষেত্রে পুলিশ জানিয়েছে, সুলতানগঞ্জের ঘটনার পর অস্ত্র উদ্ধারের অভিযানে তিনি পুলিশের ওপর গুলি চালালে পুলিশ পাল্টা গুলি চালায়।

গুলিতে তিনি গুরুতর আহত হয়ে মারা যান। অন্যদিকে ছোটু যাদব পালানোর চেষ্টা করলে তাঁর পায়ে গুলি লাগে। দুটি ঘটনাতেই পুলিশের কয়েকজন আধিকারিক আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।বিহারে দীর্ঘদিন ধরে ‘জঙ্গল রাজ’ এবং অপরাধীদের রাজনৈতিক ছত্রছায়ার অভিযোগ রয়েছে। নীতীশ কুমারের শাসনকালেও ‘সমাধান’ প্রকল্পের মাধ্যমে অপরাধ দমনের চেষ্টা হয়েছে, কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে অপরাধীরা পুলিশি হেফাজতে থেকেও সম্মান পেয়েছে বলে সমালোচনা হয়েছে।

সম্রাট চৌধুরীর সাম্প্রতিক বক্তব্য সেই ধারণাকে চ্যালেঞ্জ করেছে। তিনি চান, পুলিশ অপরাধীদের প্রতি ‘সফট’ মনোভাব পরিহার করে কঠোর হোক।বিহারের সাধারণ মানুষের মধ্যে এই বার্তা ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। অনেকে বলছেন, দীর্ঘদিনের অরাজকতার পর এখন কঠোর পদক্ষেপের সময় এসেছে। বিশেষ করে সুলতানগঞ্জের নির্বাহী আধিকারিক হত্যার ঘটনায় সাধারণ প্রশাসনিক কর্মীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়েছিল। রামধানী যাদবের এনকাউন্টারের পর সেখানে স্বস্তির হাওয়া বইছে।

ভিডিও নিউজ দেখুন

https://www.youtube.com/watch?v=videoseries

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *