EVM সুরক্ষা ভাঙনের আশঙ্কা, স্ট্রংরুম নিয়ে বড় দাবি বিজেপির
স্ট্রংরুমে ইভিএমের নিরাপত্তা ঘিরে ফের চাঞ্চল্য ছড়াল পূর্ব বর্ধমানে। বর্ধমান উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি (BJP) প্রার্থী সঞ্জয় দাস স্ট্রংরুমের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে একাধিক গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন। ভোট গ্রহণ …
স্ট্রংরুমে ইভিএমের নিরাপত্তা ঘিরে ফের চাঞ্চল্য ছড়াল পূর্ব বর্ধমানে। বর্ধমান উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি (BJP) প্রার্থী সঞ্জয় দাস স্ট্রংরুমের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে একাধিক গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন। ভোট গ্রহণ প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর ইভিএম মেশিনগুলি যেখানে সংরক্ষিত রাখা হয়, সেই স্ট্রংরুমের নিরাপত্তা নিয়ে এই অভিযোগ ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক।
সঞ্জয় দাসের দাবি, (BJP) স্ট্রংরুমের প্রবেশপথে যথাযথ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেই। তাঁর অভিযোগ, নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী যেখানে কেন্দ্রীয় বাহিনীর কড়া নিরাপত্তা থাকার কথা, সেখানে বাস্তবে দেখা যাচ্ছে শুধুমাত্র রাজ্য পুলিশের কয়েকজন কর্মীই দায়িত্বে রয়েছেন। তিনি বলেন, “স্ট্রংরুমের মতো সংবেদনশীল জায়গায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতি থাকা অত্যন্ত জরুরি। কিন্তু এখানে সেই ব্যবস্থা নেই, যা স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন তুলছে।”
এছাড়াও তিনি অভিযোগ করেন,(BJP) স্ট্রংরুমের ভেতরে ও বাইরে থাকা একাধিক সিসিটিভি ক্যামেরা কাজ করছে না। তাঁর মতে, ক্যামেরাগুলি সচল না থাকলে নজরদারিতে বড়সড় ফাঁক থেকে যেতে পারে। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন, এই পরিস্থিতিতে ইভিএম মেশিনের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। “যে ক্যামেরাগুলি সারাক্ষণ নজরদারির জন্য থাকা উচিত, সেগুলিই যদি বন্ধ থাকে, তাহলে পুরো ব্যবস্থাটাই প্রশ্নের মুখে পড়ে,” মন্তব্য করেন তিনি।
(BJP) এখানেই থেমে থাকেননি বিজেপি প্রার্থী। তিনি আরও অভিযোগ করেন, জেলা পুলিশ সুপার একাধিক গাড়ি নিয়ে বারবার স্ট্রংরুম এলাকায় যাতায়াত করছেন। এই ঘটনাকেও তিনি সন্দেহের চোখে দেখছেন। তাঁর বক্তব্য, “একজন উচ্চপদস্থ পুলিশ আধিকারিক কেন বারবার স্ট্রংরুমে আসা-যাওয়া করছেন, তা পরিষ্কার নয়। এতে সাধারণ মানুষের মনে সন্দেহ তৈরি হওয়াই স্বাভাবিক।”
এই প্রেক্ষিতে সঞ্জয় দাস আরও একধাপ এগিয়ে জেলা পুলিশ সুপারের গাড়ি পরীক্ষা করার দাবি জানান। তাঁর আশঙ্কা, ইভিএম মেশিন বদল সংক্রান্ত কোনো ষড়যন্ত্র হতে পারে, আর সেই কারণেই সমস্ত কিছু স্বচ্ছভাবে পরীক্ষা করা প্রয়োজন। তিনি বলেন, “গণতন্ত্রের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হল ভোটের স্বচ্ছতা। তাই কোনো রকম সন্দেহের অবকাশ রাখা উচিত নয়। প্রয়োজনে এসপির গাড়িও চেক করা হোক।”
বিজেপি প্রার্থীর এই অভিযোগ সামনে আসতেই প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। যদিও এখনও পর্যন্ত প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই বিষয়ে বিস্তারিত কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী স্ট্রংরুমে বহিস্তরীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকার কথা, যেখানে কেন্দ্রীয় বাহিনী, সিসিটিভি নজরদারি এবং রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের উপস্থিতি নিশ্চিত করা হয়।