দারিদ্রের সঙ্গে যুদ্ধ! স্বপ্ন সফল করে সেঞ্চুরির মুখে রূপায়ণ
এর পর থেকে সাফল্যের দিকে যাত্রা শুরু হয়েছে পড়ুয়ার। রূপায়ণ বলে, ‘ইন্টারনেট দেখেই পরীক্ষার সমস্ত প্রিপারেশন করেছি। নির্দিষ্ট পড়ার কোনও সময় ছিল না, শুধু মাথার মধ্যে থাকা ডাউটগুলো সল্ভ করার চেষ্টা করতাম।’ রূপায়ণের মা শুক্লা বলেন, ‘খুব বেশিদিন পড়াতে পারব না, সেটা ছেলে বুঝে গিয়েছিল। তাই জেইই–তে খুব ভালো ফলের জন্যে দিন–রাত এক করে দিয়েছিল।’ রূপায়ণের বক্তব্য, ‘উচ্চ মাধ্যমিকের পরীক্ষার রেজ়াল্ট বেরোবে কিছুদিন পরে। তারপরে জেইই অ্যাডভান্স পরীক্ষা আছে। আমার লক্ষ্য রুরকি আইআইটি–তে কম্পিউটার সায়েন্স নিয়ে পড়া।’