Pakijah Bibi flies from Finland to cast vote against SIR
এসআইআরে নাম বাদ পড়ার টেনশনে মৃত্যু হয়েছিল বাড়ির কর্তার। প্রথম দফা ভোটে নিজেদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করে তাঁর স্ত্রী বলেছিলেন, ”ইভিএমের বোতামে জবাব দিয়েছি।” সে ছিল পুরুলিয়ার ঘটনা। এবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরের এক মহিলাও এসআইআরের বিরুদ্ধে ব্যালটে জবাব দিতে উড়ে এলেন সুদূর ফিনল্যান্ড থেকে। বুধবার দ্বিতীয় দফার ভোটে তিনি লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দিলেন হাসিমুখে। বেরিয়ে জানালেন, যুদ্ধের জন্য বিমানভাড়া অনেক বেশি ছিল। তবু কষ্ট করে টিকিট কেটে ফিরেছেন নিজের ভিটেতে, শুধুমাত্র ভোট দেওয়ার জন্য। এবারের ভোট তো অন্যান্যবারের চেয়ে আলাদা, এসআইআরের জবাব এবার দিতেই হতো ভোটে। সেই লক্ষ্য নিয়েই এসেছেন।
এই বিষয়ে আরও খবর
বছর চল্লিশের পাকিজা বিবি। বারুইপুরের বাসিন্দা। পেশা সূত্রে তিনি ফিনল্যান্ডে থাকেন বহুদিন ধরে। রাজ্যে যখন এসআইআরে বহু লোকের নাম বাদ পড়ে, সেসময় সহনাগরিকদের জন্য বড় মনখারাপ হয়েছিল তাঁর। ঠিক করেছিলেন, এসআইআরের এভাবে নাম বাদের জবাব তিনি দেবেন নিজের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করে।
বছর চল্লিশের পাকিজা বিবি। বারুইপুরের বাসিন্দা। পেশা সূত্রে তিনি ফিনল্যান্ডে থাকেন বহুদিন ধরে। রাজ্যে যখন এসআইআরে বহু লোকের নাম বাদ পড়ে, সেসময় সহনাগরিকদের জন্য বড় মনখারাপ হয়েছিল তাঁর। ঠিক করেছিলেন, এসআইআরের এভাবে নাম বাদের জবাব তিনি দেবেন নিজের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করে। ২৯ এপ্রিল দিনটিকে টার্গেট করে পাকিজা ভারতে আসার পরিকল্পনা সাজিয়েছিলেন। কিন্তু মাঝে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ সেই পরিকল্পনা বেশ খানিকটা ঘেঁটে দেয়। বিমানের ভাড়া বেড়ে যায় কয়েকগুণ। পাকিজা চেয়েছিলেন, স্বামী-সন্তান সবাইকে নিয়েই দেশে ফিরে নির্বাচনে অংশ নিতে। কিন্তু তা সম্ভব হয়নি। কোনওক্রমে নিজের আর সন্তানের টিকিট পান। স্বামীকে রেখেই চলে আসেন স্বদেশে।

দিন ১৫ হল বারুইপুরের বাড়িতে ফিরেছেন পাকিজা, সঙ্গে সাড়ে তিন বছরের ছেলে। বুধবার মদারহাচ পপুলার অ্যাকাডেমিতে ভোট দিতে যান। লাইনে দাঁড়িয়ে নিজের ভোটটি দিয়ে বেরিয়ে পাকিজা বলেন, এসআইআরের খবর তাঁকে বিচলিত করে তুলেছিল। অনেক বৈধ নাগরিকের নামও মুছে গিয়েছে তালিকা থেকে, জানতে পেরেছিলেন দূরে বসে। তখনই ভেবে ফেলেছিলেন, ভোটটা দিতে হবে এই এসআইআরের বিরুদ্ধে। আর তাই কষ্ট করে বেশি ভাড়ায় বিমানের টিকিট কেটে ছুটে এসেছেন। আজ পাকিজার মুখে হাসি। এমন সচেতন, দায়িত্ববান ভোটারই তো পৃথিবীর বৃহত্তম গণতান্ত্রিক দেশে কাম্য।
এই বিষয়ে আরও খবর
সর্বশেষ খবর