তৃণমূলের ভাগ্যে ১৯৫-২০৫ আসন! স্পষ্ট করল জনমত পোলস’-এর এক্সিট পোল
কলকাতা: রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ পর্ব কার্যত শেষ। এখন গোটা বাংলার নজর একটাই দিনের দিকে ৪ মে।(exit poll 2026) সেদিনই খুলবে ভাগ্যের বাক্স, ইভিএমে বন্দি জনমতের চূড়ান্ত রায় …
কলকাতা: রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ পর্ব কার্যত শেষ। এখন গোটা বাংলার নজর একটাই দিনের দিকে ৪ মে।(exit poll 2026) সেদিনই খুলবে ভাগ্যের বাক্স, ইভিএমে বন্দি জনমতের চূড়ান্ত রায় সামনে আসবে। পরিবর্তন না প্রত্যাবর্তন কোন পথে হাঁটবে বাংলা, তা জানার অপেক্ষায় এখন সাধারণ মানুষ থেকে রাজনৈতিক মহল সকলেই।
ভোট শেষ হতেই শুরু হয়ে গিয়েছে জল্পনা-কল্পনা। বিভিন্ন সমীক্ষক সংস্থা ইতিমধ্যেই তাদের এক্সিট পোল প্রকাশ করতে শুরু করেছে। বেশ কিছু সমীক্ষায় বিজেপির উত্থানের ইঙ্গিত মিললেও, অন্যদিকে কিছু সংস্থা আবার সম্পূর্ণ ভিন্ন ছবি তুলে ধরছে। এই দ্বিমুখী ইঙ্গিতেই এখন সরগরম রাজ্য রাজনীতি।
আরও দেখুনঃ দুই ম্যাচেই খুলে যাবে বিশ্বকাপের দরজা? আশায় ভারতীয় ফুটবল দল !
বিশেষভাবে আলোচনায় উঠে এসেছে ‘জনমত পোলস’-এর এক্সিট পোল। এই সমীক্ষা অনুযায়ী, রাজ্যে আবারও বড় ব্যবধানে এগিয়ে থাকতে পারে তৃণমূল কংগ্রেস। তাদের হিসেব বলছে, তৃণমূল পেতে পারে ১৯৫ থেকে ২০৫টি আসন। অর্থাৎ, স্পষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ফের সরকার গঠনের সম্ভাবনা দেখানো হয়েছে এই সমীক্ষায়।
অন্যদিকে, বিজেপির জন্য এই সমীক্ষা খুব একটা স্বস্তিদায়ক নয়। এখানে বিজেপির সম্ভাব্য আসন সংখ্যা ধরা হয়েছে ৮০ থেকে ৯০-এর মধ্যে। যদিও এই সংখ্যা একেবারে কম নয়, তবুও সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যার থেকে তা অনেকটাই দূরে। ফলে, এই সমীক্ষা অনুযায়ী বিজেপির জন্য ক্ষমতায় আসা কঠিন বলেই মনে করা হচ্ছে। কংগ্রেস ও বামফ্রন্টের অবস্থান এই সমীক্ষায় আরও দুর্বল। কংগ্রেস পেতে পারে ১ থেকে ৩টি আসন, আর বামফ্রন্টের ঝুলিতে যেতে পারে শূন্য থেকে ১টি আসন। অন্যান্য দলগুলির জন্য ধরা হয়েছে ৩ থেকে ৫টি আসন।
ভোট শতাংশের হিসেবেও একই রকম প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। জনমত পোলস-এর মতে, তৃণমূল পেতে পারে প্রায় ৫০ শতাংশ ভোট, বিজেপি পেতে পারে ৪১ শতাংশ ভোট। কংগ্রেস, বামফ্রন্ট এবং অন্যান্যরা প্রত্যেকেই প্রায় ৩ শতাংশ করে ভোট পেতে পারে বলে অনুমান করা হয়েছে।
তবে এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মাথায় রাখা প্রয়োজন এই সমস্ত এক্সিট পোল বা বুথফেরত সমীক্ষা কখনওই চূড়ান্ত ফলাফল নয়। অতীতে বহুবার দেখা গিয়েছে, সমীক্ষার পূর্বাভাসের সঙ্গে বাস্তব ফলাফলের মিল থাকলেও, অনেক সময় বড় ফারাকও থেকে যায়।