একাধিক মহিলাকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি, সঙ্গে ‘সহবাস’, স্বল্পবাসনাদের সঙ্গে ছন্দে গা ভাসানো! ‘সিঙ্ঘম’ IPS অজয় পাল শর্মার বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ – Bengali News | Multiple Allegations Surface Against ‘Singham’ IPS Ajay Pal Sharma Over Personal Conduct
কলকাতা: ‘সিঙ্ঘম Vs পুষ্পা’, দ্বিতীয় দফার আগে এই শব্দবন্ধ এখন ভাইরাল। নেপথ্যে ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খান ও ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্রে পুলিশ পর্যবেক্ষক হিসাবে নিযুক্ত হওয়া উত্তরপ্রদেশের ‘সিঙ্ঘম’ অজয় পাল শর্মা। তৃণমূলের প্রার্থীর বাড়ির সামনে গিয়ে তাঁর হুঁশিয়ারি দেওয়ার ভিডিয়ো এখন সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল। তারপরই অজয় পাল শর্মার বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ তুলেছে তৃণমূল।
তৃণমূল নেতা শান্তনু সেন বলেছেন বিস্ফোরক অভিযোগ। তাঁর অভিযোগ, অজয় পাল শর্মার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। পুলিশের পোস্টিং দেওয়ার নাম করে লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে। তাঁর চরিত্র নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, একাধিক মহিলার সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে অজয় পাল শর্মার।তাঁর কথায়, “উত্তর প্রদেশের পুলিশ, যাঁর বিরুদ্ধে এত অভিযোগ। যার বিরুদ্ধে পুলিশ পোস্টিং দেওয়ার নাম করে টাকা খাওয়ার অভিযোগ রয়েছে, যার সঙ্গে একাধিক মহিলার বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাসের অভিযোগ রয়েছে, তাঁকে এখানে পর্যবেক্ষক হিসাবে নিয়োগ করা হল! বাংলার মাটি আলাদা, সেটা বুঝতে হবে। বাংলা এসব মেনে নেওয়া হবে না।”
প্রসঙ্গত, অজয় পাল শর্মার একটি ভিডিয়ো নিজের এক্স হ্যান্ডেলেও পোস্ট করেছেন তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র। সেখানে দেখা যাচ্ছে, স্বল্পবাসনা নর্তকীদের সঙ্গে ছন্দে নাচছেন অজয় পাল শর্মা। সেই ভিডিয়ো সামনে আসতেই মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়।
ভিডিয়ো পোস্ট করে মহুয়া লেখেন, “আশা করি আপনার পুলিশি দক্ষতা, নাচের দক্ষতার চেয়ে ভালো।” তৃণমূল প্রার্থী তথা বিদায়ী মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য বলেন, “ওনার নাচের কী ইচ্ছা আছে জানি না! তবে এখানে এসে এসব চলবে না। পুলিশ অবজারভার হয়ে এখানে যে নাচগুলো করছেন, এগুলো এখানে চলবে না। এটা বাংলার মাটি।” তিনি আরও বলেন, “যাদের অঙ্গুলিহেলনে এসেছেন, তাঁরা তো রয়েছেন কেন্দ্রে বসে। এখানে যাদের বিরুদ্ধে এসেছেন, এখানে তো পুষ্পা রয়েছে।”
অজয় পাল শর্মার বিরুদ্ধে নির্বাচনী বিধিভঙ্গের অভিযোগ তুলে আদালতে মামলাও হয়েছে। তবে সেই মামলা ধোপে টেকেনি। বিচারপতি কৃষ্ণা রাও স্পষ্ট করে দেন, ২৯ এপ্রিল পর্যন্ত নির্বাচনের কাজে যুক্ত থাকা কোনও আধিকারিকের কাজে হস্তক্ষেপ করবে না আদালত।