I-PAC work suspension controversy: ‘আমরা চাকরি দেব…’, IPAC-এর কাজ বন্ধের জল্পনা উড়িয়ে মমতার হুঙ্কার – Bengali News | Buzz over i pac work suspension in west bengal for 20 days tmc denies claims
IPAC-মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়Image Credit: TV9 Bangla
নিজস্ব প্রতিবেদন: পশ্চিমবঙ্গে ভোটকুশলী সংস্থা আইপ্যাক (I-PAC)-এর কাজ ২০ দিনের জন্য বন্ধের খবর ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র জল্পনা। তৃণমূলের অন্দরমহল থেকে এই খবরকে ‘ভিত্তিহীন’ বলে উড়িয়ে দেওয়া হলেও, বিরোধী শিবিরে এ নিয়ে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।
তরজার নেপথ্যে
সূত্রের খবর, আইনি বাধ্যবাধকতার কথা উল্লেখ করে IPAC-এর তরফে কর্মীদের ইমেল মারফত নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, আগামী ২০ দিন যেন তাঁরা বাড়ি থেকেই কাজ করেন। এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহলে ধোঁয়াশা তৈরি হয়। তবে তৃণমূলের সাফ দাবি, তারা IPAC-এর সঙ্গে যৌথভাবেই কাজ করছে এবং এই ধরনের প্রচার মূলত বিভ্রান্তি ছড়ানোর জন্য করা হচ্ছে।
মমতার সুর ও সুরক্ষাকবচ
এই ইস্যুতে তারকেশ্বরের সভা থেকে সরাসরি কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকে নিশানা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি অভিযোগ করেন, কেন্দ্রীয় এজেন্সিকে ব্যবহার করে তৃণমূলের সঙ্গে যুক্ত সংস্থা ও কর্মীদের ভয় দেখানো হচ্ছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন স্পষ্ট ভাষায় বলেন, “কেন্দ্রের এজেন্সিগুলো আমাদের পার্টির কাজ করা সংস্থাগুলোকে বাংলা ছেড়ে চলে যেতে বলছে। ওদের যদি ভয় দেখানো হয়, তবে ওরা আমার দলের সঙ্গেই যুক্ত হবে। আমরা ওদের চাকরি দেব, কোনো ছেলেকেই বেকার হতে দেব না।” এদিন সকালেই এ নিয়ে তিনি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে আলোচনা করেছেন বলেও জানিয়েছেন।
বিজেপি ও সিপিএমের কটাক্ষ
এই ঘটনাকে পুঁজি করে তৃণমূলকে বিঁধেছে বিরোধীরা। বিজেপির প্রধান মুখপাত্র দেবজিৎ সরকারের দাবি, “তৃণমূলের বিসর্জন নিশ্চিত। আইপ্যাক কর্তৃপক্ষ নিজেরাই ইমেল করেছে, তারা থাকবে কি না সেটা তাদের সিদ্ধান্ত।” অন্যদিকে, সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী কটাক্ষ করে বলেন, “বাংলার ছেলেদের চাকরি দিতে পারছেন না, অথচ আইপ্যাকের মতো বাইরের এজেন্সির কর্মীদের সরকারি চাকরির প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন! এটা তো প্রাইভেট সংস্থা।” এই ঘটনায় রাজনৈতিক উত্তাপ এখন তুঙ্গে।