শুটিং সেটে খাবার জোটেনা! বিস্ফোরক রাজকুমার, সানয়ারা - Bengali News | Rajkummar Rao and Sanya Malhotra Slam Stingy Producers Over Poor Working Conditions - 24 Ghanta Bangla News
Home

শুটিং সেটে খাবার জোটেনা! বিস্ফোরক রাজকুমার, সানয়ারা – Bengali News | Rajkummar Rao and Sanya Malhotra Slam Stingy Producers Over Poor Working Conditions

Spread the love

ইন্ডাস্ট্রির এক অমানবিক দিক নিয়ে মুখ খুললেন ছবির তারকারা।

শুটিং সেটে এলাহি আয়োজন নয়, বরং কিছু সময় জোটে যৎসামান্য খাবার! লাঞ্চ ব্রেক ছাড়াই চলে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাজ। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে বলিউডের তথাকথিত বড় প্রযোজকদের ‘কিপটেমি’ নিয়ে বিস্ফোরক রাজকুমার রাও ও সানয়া মালহোত্র। কলাকুশলীদের মর্যাদা আর শুটিংয়ে প্রয়োজনীয় খাবার নিয়ে ইন্ডাস্ট্রির অন্ধকার দিকটি এবার এল প্রকাশ্যে।

নেটফ্লিক্সে সদ্য মুক্তি পেয়েছে রাজকুমার রাও ও পত্রলেখার নতুন ছবি ‘টোস্টার’ (Toaster)। আর এই ছবির প্রচারেই ইন্ডাস্ট্রির এক অমানবিক দিক নিয়ে মুখ খুললেন ছবির তারকারা। অর্চনা পূরণ সিং একটি বড় প্রযোজনা সংস্থার উদাহরণ টেনে জানান, সেখানে কুশলীদের জন্য খাবার বরাদ্দ থাকত মেপে। অর্চনা বলেন, “আমরা আড়ালে ওদের ‘এক বোটি, দো রোটি’ বলে ডাকতাম। নন-ভেজ খাবারে টান পড়ত সবসময়। এমনকি ক্রু সদস্যদের বলা হতো নির্দিষ্ট সংখ্যার বেশি রুটি না নিতে।”

সানয়া মালহোত্র আরও এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এনেছেন। তাঁর কথায়, অনেক সময় টাকা আর সময় বাঁচাতে লাঞ্চ ব্রেক পর্যন্ত দেওয়া হয় না। সানয়া বলেন, “শুধু অভিনেতা নয়, এর ভুক্তভোগী হন সেটের প্রত্যেকটি মানুষ। তবে টোস্টারের সেটে রাজকুমার এবং পত্রলেখা নিজেরা অভিনেতা হওয়ায় পরিস্থিতি ছিল একদম আলাদা।”

এই প্রসঙ্গে সুর চড়িয়েছেন রাজকুমার রাও নিজেও। তিনি প্রশ্ন তোলেন, “দুপুর সাড়ে বারোটায় কাজ শুরু করে কেন টানা সাড়ে তিনটে অবধি টেনে নিয়ে যাওয়া হয়? মাঝখানে এক ঘণ্টা বিরতি দিয়ে দেড়টা থেকে কাজ শুরু করলেই তো সকলে শান্তিতে খেয়ে কাজে ফিরতে পারে। অভিনেতাদের জন্য তাঁদের অ্যাসিস্ট্যান্টরা ফল নিয়ে আসলেও, সেটের সাধারণ কর্মীদের কী হবে?”

এই বিষয়ে অর্চনা মনে করিয়ে দেন, কড়া রোদে ভারী সরঞ্জাম কাঁধে নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা লাইটম্যানদের যদি ঠিকমতো খেতে না দেওয়া হয়, তবে কাজটা অমানবিক পর্যায়ে চলে যায়। বর্তমান সময়ে ১২ ঘণ্টার শিফট এখন অতীত, এখন ১৪-১৫ ঘণ্টা কাজ করিয়ে নেওয়াটা নিয়ম হয়ে দাঁড়িয়েছে। অবশ্য এই বৈষম্যের বিরুদ্ধে একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে রাজকুমার ও পত্রলেখার নিজস্ব প্রযোজনা সংস্থা ‘কাম্পা ফিল্মস’ বলে জানাচ্ছেন কলাকুশলীরা । নিজেরা শিল্পী বলেই হয়তো পর্দার পেছনের কারিগরদের কষ্টটা তাঁরা অনুভব করতে পেরেছেন। ‘টোস্টার’-এর সেটে যে আতিথেয়তা পাওয়া গিয়েছে, তা বাকিদের জন্য শেখার মতো বলেই দাবি করেছেন ছবির কলাকুশলীরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *