Medicine Price Hike: যুদ্ধের জের, এবার বাড়তে পারে ক্যানসার-সহ একাধিক ওষুধের দাম! - Bengali News | Medicine Price may hike due to west asia conflict - 24 Ghanta Bangla News
Home

Medicine Price Hike: যুদ্ধের জের, এবার বাড়তে পারে ক্যানসার-সহ একাধিক ওষুধের দাম! – Bengali News | Medicine Price may hike due to west asia conflict

Spread the love

ওষুধের দাম কি বাড়বে?Image Credit: TV9 Bharatvarsh

নয়াদিল্লি: পশ্চিম এশিয়ার আকাশে যুদ্ধের মেঘ কাটেনি। ইরান-আমেরিকার মধ্যে দুই সপ্তাহ সংঘর্ষবিরতি চলছে। কিন্তু, যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্ববাণিজ্য বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। একাধিক পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি হয়েছে। গ্যাসের দাম বেড়েছে। এবার ওষুধের উপরও কোপ পড়তে চলেছে। দাম বাড়বে ওষুধের। এমনই আশঙ্কা করা হচ্ছে। ক্যানসার-সহ একাধিক জীবনদায়ী ওষুধের দাম বাড়তে চলেছে। জানা গিয়েছে, পশ্চিম এশিয়ার উদ্বেগ পরিস্থিতির মধ্যে ওষুধ তৈরির খরচ হঠাৎ করে বেড়ে যাওয়ায়, সরবরাহ বজায় রাখতে সরকার এই কঠোর পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হচ্ছে।

কোন কোন ওষুধের দাম কত বাড়ছে?

ক্যান্সারের ওষুধ থেকে শুরু করে দৈনন্দিন অ্যান্টিবায়োটিক ও ইনজেকশন পর্যন্ত বিভিন্ন ওষুধের দাম ১০ থেকে ২০ শতাংশ বাড়ানোর কথা চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে। স্বস্তির বিষয় হল,সরকার ওষুধের দাম স্থায়ীভাবে বাড়াচ্ছে না। সূত্রের খবর সাময়িকভাবে কয়েক দিনের জন্য দাম বাড়ানো হচ্ছে। সরকার এই ১০-২০ শতাংশ মূল্যবৃদ্ধি অন্তত তিন মাসের জন্য বাড়ানোর চিন্তা-ভাবনা করছে। বিশ্বব্যাপী সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক হয়ে গেলে ওষুধের দাম আগের পর্যায়ে ফিরে আসবে।

কেন দাম বাড়ছে ওষুধের?

আসলে ওষুধ উৎপাদন প্রক্রিয়ায় সলভেন্ট নামক বিশেষ রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করা হয়। ওষুধ দ্রবীভূত ও বিশুদ্ধ করতে ব্যবহৃত এই সলভেন্টগুলো অপরিশোধিত তেল ও গ্যাসের সরবরাহের সঙ্গেই যুক্ত।যা প্রধানত উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে আসে। সেখানে অস্থিরতার কারণে এই রাসায়নিক পদার্থগুলোর তীব্র ঘাটতি দেখা দিয়েছে। নিরাপত্তার কারণে ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থাগুলো সলভেন্ট মজুত রাখতে পারে না। তাই, এই সংকট যদি আরও দুই-তিন মাস চলতে থাকে, তাহলে বাজারে অনেক প্রয়োজনীয় ওষুধের ঘাটতি দেখা দিতে পারে।

প্রযুক্তিগত জটিলতা

পুরো প্রক্রিয়ায় একটি প্রযুক্তিগত জটিলতা রয়েছে। এই সংকটকালে যদি নতুন দামে ওষুধ উৎপাদন করা হয়,তাহলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে গেলে নতুন দামের হিসেবে যে ওষুধগুলো পড়ে থাকবে, তা কী দামে বিক্রি করা হবে? সরকার এই দিকটি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করছে। দ্রুতই এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তারপরই একটি আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি জারি করা হতে পারে। সরকারের লক্ষ্য হল জনগণের স্বার্থ রক্ষা করা এবং বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় ওষুধের কোনও ঘাটতি যেন না হয় তা নিশ্চিত করা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *